জেনারেটর ও আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিন বাক্সবন্দি

আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০২১, ০৭:০৪

সখীপুরে ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জেনারেটরটি ১৩ বছর ধরে ও দুটি আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিন তিন বছর ধরে বাক্সবন্দি অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে হাসপাতালের রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় এসব যন্ত্র বাক্সবন্দি থেকেই অকেজো হয়ে পড়ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোরকিপার লুত্ফর রহমান জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে ২০০৮ সালের ৫ জুলাই এ হাসপাতালের জন্য ৫০ কেভির একটি জেনারেটর বরাদ্দ আসে। এছাড়া ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে দুটি আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিন বরাদ্দ দেওয়া হয়। তিনটি যন্ত্র বরাদ্দ দিলেও স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে কোনো প্রকৌশলী ঐ যন্ত্রগুলো স্থাপন করতে আসেননি। ফলে দিনের পর দিন যন্ত্রগুলো হাসপাতালের সিঁড়িকোঠার ভেতর একটি নোংরা কক্ষে তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।

সখীপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেই গাইনীঅহ ৯ কনসালটেন্ট

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালট্যান্ট শাহীনুর আলম বলেন, জেনারেটরটি এত বড় যে এটা চালু করার জন্য দুজন দক্ষ চালক লাগবে। দীর্ঘদিন এ হাসপাতালে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসারের দায়িত্ব পালন করেছি। আমার জানামতে ঐ জেনারেটরটি ইনস্টল করতে স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ থেকে কেউ হাসপাতালে আসেননি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) নাজমুল হাসান মাসুদ খান বলেন, লোডশেডিং হলে পুরোনো জেনারেটরই একমাত্র ভরসা। তবে বড় জেনারেটর চালু থাকলে করোনাকালীন সময়ে রোগীদের সেবা দিতে সুবিধা হতো।

ইত্তেফাক/কেকে