বইমেলায় আশীফ এন্তাজ রবির নতুন উপন্যাস ‘পালিয়ে যাবার পরে’

আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৪:৩৯

লেখক ও সাংবাদিক আশীফ এন্তাজ রবির নতুন উপন্যাস ‘পালিয়ে যাবার পরে’ এবারের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় বের হয়েছে। বইটি প্রকাশ করেছে আদর্শ প্রকাশনী। নতুন এই উপন্যাসের বিষয়ে সম্পর্কে দৈনিক ইত্তেফাকের সঙ্গে কথা বলেছেন সময়ের জনপ্রিয় এই কথাসাহিত্যিক।

 

বইটি সম্পর্কে আশীফ এন্তাজ রবি বলেন, ‘একটা মজার ঘটনা বলি। আমার বাবা খুব ক্রিকেট পাগল। একদিন তিনি ক্রিকেট খেলা দেখছেন। খেলা শেষে তিনি মহা উত্তেজিত। বাংলাদেশ জিতেছে, বাংলাদেশ জিতেছে। আসলে ওই দিন বাংলাদেশ জিতে নাই। শোচনীয়ভাবে হেরেছিল। আমার বাবা ভুল করে ভুল চ্যানেলে পুরনো কোনো ক্রিকেট ম্যাচ দেখছিলেন।  বয়স্ক মানুষ তো। চোখে কম দেখেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কোনটা ভালো।  ভুল খেলা দেখে সত্যিকারের আনন্দ পাওয়া ভালো। নাকি সত্যিকারের খেলা দেখে কষ্ট পাওয়া ভালো। পালিয়ে যাবার পরে উপন্যাসে সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয়েছে।

 

পাঠকরা আপনার লেখার যথেষ্ট ভক্ত হলেও উপন্যাসের আকৃতি নিয়ে অসন্তুষ্ট। নতুন উপন্যাসটি কি পাঠকদের সন্তুষ্ট করতে পারবে?

- আমি একজন গল্পকার, দর্জি না। আমার একটা গল্প বলার জন্য যতটুকু পরিসর দরকার, ততটুকুই নিই। বইয়ের সাইজ নিয়ে মোটেও চিন্তিত না। ভবিষ্যতে আমার আধা পৃষ্ঠার বইও আসতে পারে। অবাক হবার কিছু নাই।

 

'বনলতা সেনের খোঁজে' নাটকটির পর আর কোনো নাটক নির্মাণে দেখা যায় নি। ভবিষ্যতে এ নিয়ে কোনো পরিকল্পনা?

 

- আমি একটা সিনেমা বানাবো।

 

আপনার পাঠকদের উদ্দেশ্যে কিছু বলুন-

 

- আমি মনে করি- মানুষের জীবনের অন্যতম প্রধান দুটি কাজের একটি হচ্ছে- গল্প বলা। আরেকটি, গল্প শোনা।  একটা ছাড়া আরেকটা হয় না। লোকে গল্প শোনে বলেই আমি গল্প বলি। এই বলা ও শোনা দিয়েই গল্পের যাত্রা সম্পূর্ণ হয়। কাজেই আমার পাঠক- সে তো আমার আত্মার অংশ।

 

আশীফ এন্তাজ রবি বর্তমানে একটি ফেলোশিপ নিয়ে আমেরিকায় অবস্থান করছেন। লেখালেখির জগতে তার অনুপ্রবেশ ঘটে সেই কলেজ জীবনে। কলেজে থাকাকালীন অবস্থাতেই তার প্রথম উপন্যাস ‘জলসিঁড়ি’ প্রকাশিত হয়। তবে পাঠকদের মাঝে তিনি জনপ্রিয়তা পেয়েছেন 'কাগজের নৌকা' উপন্যাসটির মাধ্যমে। তার অন্যান্য বইগুলোর মাঝে রয়েছে  'আমার আছে ফেসবুক', 'চন্দ্রমুখী'।

 

ইত্তেফাক/এএম