বিধিনিষেধ শিথিল হওয়ার দ্বিতীয় দিনে বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) সকাল থেকে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ রাজধানী ঢাকায় প্রবেশ করছে। এই নৌরুটের প্রতিটি ফেরিতে যানবাহন ও মানুষের ভিড় রয়েছে। ১৮ ফেরির মধ্যে মাত্র ৫টি ফেরি চলাচল করছে। রো রো (বড়) ফেরি বন্ধ রাখা হয়েছে এবং ফেরি চলাচল সীমিত করা হয়েছে।
লঞ্চ চলাচল শুরু হওয়ায় ফেরিতে যাত্রীর চাপ কিছুটা কমেছে। যাত্রীরা লঞ্চে পারাপার হচ্ছে বেশী। তবে স্বাস্থ্যবিধি ও শারীরিক দূরত্ব কোনটাই যাত্রীদের মধ্যে মানতে দেখা যায়নি। দক্ষিণাঞ্চলমুখী যাত্রীও রয়েছে।
এদিকে পদ্মা সেতুর পিলারে ফেরির বার বার ধাক্কার ঘটনায় ভারী যানবাহন নিয়ে ফেরি পদ্মা সেতুর নীচ দিয়ে চলাচল না করার কথা বলা হলেও ভারী যানবাহন নিয়েই ফেরি চলাচল করতে দেখা যায়। তবে প্রতিটি ফেরিতেই হালকা যানবাহনের সংখ্যা ছিল বেশী এবং ভারী যানবাহন ছিল কম। এতে আগের তুলনায় ফেরির লোড অনেকটা কমেছে।
বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের সহ-মহাব্যবস্থাপক (মেরিন) আহম্মদ আলী বলেন, ‘এরুটে মাঝারি আকারের ৫টি ফেরি সচল রয়েছে। আমরা এই রুটে ফেরি চলাচল সীমিত করেছি। ৪টি রো রো ফেরি দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ রুটে পাঠিয়েছি। ভারী যানবাহন পারাপার বন্ধ রাখার জন্য রো রো ফেরিও বন্ধ রাখা হয়েছে।’
ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে তিনি জানান।
ইত্তেফাক/এএএম
