রাজবাড়ীতে মহাসড়কে যত্রতত্র ময়লার স্তুপ

আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২১, ১৫:৩৫

রাজবাড়ী পৌরসভার ময়লা-আবর্জনা যত্রতত্র ভাবে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের উপরে ফেলছে রাজবাড়ী পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। একদিকে জন্ম নিচ্ছে মশা-মাছি, ছড়াচ্ছে বিভিন্ন প্রকার রোগ জীবাণু। অপরদিকে ময়লা আবর্জনার পচা দুর্গদ্ধে পথচারীদের ভোগান্তি চরমে।  

রাজবাড়ী পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভায় বর্তমানে ৭০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ১৫ জন সুপারভাইজার ময়লা পরিষ্কারের জন্য ২ টি ট্রাক ও একাধিক ভ্যান রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের শ্রীপুর বাস টার্মিনাল এলাকায় রয়েছে কয়েক শত দোকান, বসত বাড়ী সহ বেশ কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়াও প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে হাজারো যানবাহন সহ পথচারী চলাচল করে। 

প্রতিনিয়তই জনবসতি ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কের উপরেই ময়লা আবর্জনা ফেলে স্তুপ করে রাখছে রাজবাড়ী পৌরসভার পরিচ্ছনতাকর্মীরা। শুধু সড়কে নয় পৌরসভার আবাসিক এলাকা ১ নম্বর বেড়াডাঙ্গাসহ বিভিন্ন এলাকার সড়কগুলোতেও স্তুপ করে রাখা হয়েছে ময়লা। 

No description available.
এ সময় শ্রীপুর বাস টার্মিনাল এলাকা দিয়ে চলাচলরত পথচারী মো. আব্দুল আলিম বলেন, দিনের পর দিন এমন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের উপর ময়লা ফেলছে পৌরসভার কর্মীরা। মাস্ক পরে থেকেও নাক চেপে না ধরে চলার উপায় নেই। শ্রীপুর বাস টার্মিনাল এলাকার ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান মন্ডল বলেন, এই ময়লা আবর্জনার কারণে শ্রীপুরে থাকা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হওয়ার পথে। কাস্টমার বিভিন্ন পণ্য ক্রয় করতে আসছে কিন্তু নাক বন্ধ করে চলে যাচ্ছে। 

No description available.
রাজবাড়ী  পৌরসভার মেয়র মোঃ আলমগীর শেখ তিতু বলেন, মশক নিধনে পৌরসভা থেকে প্রতিদিন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা শহরের বিভিন্ন এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সহ মশক নিধনের ঔষুধ ছেটানো হচ্ছে। আপাতত পৌরসভার ময়লা ফেলার কোন জায়গা নেই, তাই সড়কের পাশেই ময়লা ফেলা হচ্ছে। এতে পথচারীসহ এলাকাবাসীর সাময়িক অসুবিধা হচ্ছে। তবে পৌরসভার ময়লা ডাম্পিং করার জন্য ১১ কোটি টাকা ব্যায়ে শ্রীপুরের মাঠে কাজ চলছে। যে প্রকল্পের সময় আছে আরো ১ বছর। আশা করা যাচ্ছে আগামী বছরের মধ্যেই একটি ময়লামুক্ত পরিচ্ছন্ন পৌরসভা গড়া সম্ভব হবে। 

এ বিষয়ে রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন ডা: মোঃ ইব্রাহিম টিটন বলেন,  রাজবাড়ী জেলার জন্য ৬ শত ডেঙ্গ শনাক্ত কীট পাওয়া গেছে। যা চারটি উপজেলায় ৪ শত ও রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ২ শত বণ্টন করা হয়েছে। এ ধরনের রোগী শনাক্ত হলে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে। তারপরও সকলকে সচেতন থাকতে হবে।

ইত্তেফাক/এসজেড