ঢাকায় ইরানি চলচ্চিত্রের উত্সব

আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২১:৪০

n ৫ দিনের এই উত্সবে দেখানো হবে

    ৯টি চলচ্চিত্র

 

n  ইরানের ইসলামি বিপ্লবের ৪০ বছর উদযাপন

    হিসেবে এই উত্সব

 

n আজ শুরু হবে, শেষ হবে

    ১২ ফেব্রুয়ারি

 

শুধু নিজ দেশে নয়, সারাবিশ্বে সমাদৃত ইরানের চলচ্চিত্র। প্রশংসিত তেমনি কিছু চলচ্চিত্র আজ থেকে প্রদর্শিত হবে জাতীয় জাদুঘরের মূল মিলনায়তনে। এ উত্সব চলবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ৪০তম বিজয় বার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় জাদুঘরের বেগম সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে যৌথভাবে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর।

আজ বিকেলে এই আয়োজনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ঢাকাস্থ ইরানের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ রেজা নাফার এবং অভিনেতা ও নির্মাতা তৌকীর আহমেদ। বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. রিয়াজ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন আমাদের সময় ডটকমের এক্সিকিউটিভ এডিটর রাশিদুল ইসলাম।

এ উত্সবের প্রথমদিন আজ সন্ধ্যা ৬টায় প্রদর্শিত হবে রাসূল মোল্লাঘোলিপুর পরিচালিত ‘মীম মেছ লে মাদার’। দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত এ আয়োজনে আগামীকাল সকাল ১১টায় মাজীদ মাজীদী পরিচালিত ‘আ ভা যে গোনযেশকহা’ এবং বিকেল ৩টায় প্রদর্শিত হবে বাংলায় ডাবিংকৃত পুরান দেনাখসানদে পরিচালিত ‘পারেন্দে কুচেকে খোশবাখতী’।

১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় তাহমিনেহ মিলানী পরিচালিত ‘সুপার স্টার’ এবং বিকেল ৩টায় প্রদর্শিত হবে মাহদী ফাকহীম যাদেহ পরিচালিত ‘শেতাব যাদেহ’। ১১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় আলী হাতামীর ‘মাদার’ ও বিকেল ৩টায় শাহপুর কারীব পরিচালিত ‘বেগযার জিন্দেগী বেগনাম’ দেখানো হবে। উত্সবের শেষদিন প্রদর্শিত হবে দুটো সিনেমা। সকাল ১১টায় রাসূল সাদরআলেমীর চলচ্চিত্র ‘দোখতারী বা কাফাসহায়ে কেতাবী’ ও বিকেল ৩টায় হাবীব কা’বুশ পরিচালিত ‘ওমীদ’। আয়োজকরা জানান, এই আয়োজন সবার জন্য উন্মুক্ত। চলচ্চিত্রগুলো দেখতে কোনো টিকেট কেনার প্রয়োজন হবে না।

অভিনেতা তৌকীর আহমেদ বলেন, ‘ইরানি চলচ্চিত্র থেকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের অনেককিছু শেখার আছে। নির্মাণ, গল্প উপস্থাপন থেকে শুরু করে সবকিছুতেই ওরা বেশ ভালোভাবে এগিয়েছে। এই উত্সবের মধ্য দিয়ে আমরা কয়েকটি গল্প নির্ভর সিনেমা দেখতে পারবো। যেটা আমাদের অনেক দর্শকের রুচি পরিবর্তন করতে সাহায্য করবে।’

আয়োজকরা জানান, ধর্মীয় চেতনা, মানবিক মূল্যবোধ এবং ইরানের ইতিহাস ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক চেতনাকে ধারণ করে ইরানের চলচ্চিত্র এগিয়ে চলেছে। ইরানের চলচ্চিত্র অস্কার, কান থেকে শুরু করে নানাবিধ আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হচ্ছে। কেবল পুরুষরা নয়, ইরানের নারী চলচ্চিত্র নির্মাতারাও খ্যাতনামা সব সিনেমা নির্মাণ করছেন। বর্তমানে বিশ্ব চলচ্চিত্র অঙ্গনে ইরানি চলচ্চিত্রের বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। মানবতা, ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা এবং মানুষের প্রকৃতির বিশুদ্ধতার বার্তা সরবরাহের কারণেই ইরানি চলচ্চিত্র আজ বিভিন্ন দেশ, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র সকলের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।