আজ ১২ আগস্ট বিধিনিষেধ শিথিলের দ্বিতীয় দিনেও দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়া প্রান্তে যানবাহনের দীর্ঘ সারির সৃষ্টি হয়েছে। এতে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট থেকে দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত তিন কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানযটের সৃষ্টি হয়েছে। নদী পারের অপেক্ষায় আটকে আছে প্রায় তিন শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক, কাভারভ্যান, পিকাপসহ যাত্রীবাহী পরিবহন। তবে ছোট গাড়ির কোনো সিরিয়াল নেই।
প্রচণ্ড দাবদাহে গরমে ভোগান্তিতে পড়েছে চালক ও যাত্রীরা। ফেরি স্বল্পতা, পদ্মায় তীব্র স্রোত, অতিরিক্ত গাড়ির চাপের কারণে এই ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। তবে লঞ্চ চালু থাকার কারণে অনেক যাত্রী বাস থেকে নেমে লঞ্চে পদ্মা পারপার হচ্ছেন। এতে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়তে দেখা গেছে। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে বর্তমানে ১৩টি ফেরি ও ১৭টি লঞ্চ দিয়ে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার করছে।
সরজমিনে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা পর্যন্ত পণ্যবাহী ট্রাক, কাভারভ্যান ও যাত্রীবাহী পরিবহনের দীর্ঘ সারির সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় তিন শতাধিক যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। অন্যদিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক যানজট মুক্ত রাখার জন্য দৌলতদিয়া ফেরিঘাট থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের গোয়ালন্দ মোড় এলাকায় চার শতাধিক ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান আটকে দিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ। অন্যদিকে শিমুলিয়া কাঠালবাড়ী ফেরিঘাটে পারাপারে সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় দৌলতদিয়া পাটুরিয়া রুটে পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট ম্যানেজার সেলিম রেজা জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ৩৪টি লঞ্চ থাকলেও সরকারের নিয়ম অনুযায়ী ১৭টি লঞ্চ দিয়ে যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে, বুধবারের তুলনায় গতকাল বৃহস্পতিবার লোকাল যাত্রীর চাপ কম। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ম্যানেজার মো. শিহাব উদ্দীন বলেন, বিধিনিষেধ শিথিলের দ্বিতীয় দিনে গণপরিবহন ও যানবাহনের চাপ গতকালের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। যে কারণে যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে অপেক্ষা করে ফেরি পার হতে হচ্ছে।
