পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথম সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর, সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে ১৬২ আসনের মধ্যে পাকিস্তান আওয়ামী লীগ ১৬০টি আসন পায়। পশ্চিম পাকিস্তানে ১৩৮ আসনের মধ্যে পাকিস্তান পিপলস পার্টি মাত্র ৮১টি আসন পায়। অর্থাত্ উক্ত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারি, আওয়ামী লীগের পার্লামেন্টারি পার্টির (গণপরিষদের) সভায় শেখ মুজিবর রহমানকে পাকিস্তানের পার্লামেন্টের মেজরিটি পার্টির লিডার নির্বাচিত করা হয়। ১৭ ডিসেম্বর পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৮৮ আসন পায়। আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। অর্থাত্ মোট আসনের ৯৬ শতাংশ যা বিশ্বের নির্বাচনের ইতিহাসে অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। এম মনসুর আলীকে প্রাদেশিক পার্লামেন্টারি পার্টির লিডার নির্বাচিত করা হয়।
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ, তদানিন্তন রেডকোর্স ময়দানে এক বিশাল জনসমুদ্রে বাঙালির স্বাধীনতা আন্দোলনের মহানায়ক শেখ মুজিব দৃপ্ত কণ্ঠে ঘোষণা করেন ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। ঢাকায় পাকিস্তান পার্লামেন্টের মেজরিটি পার্টির লিডার ও আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ মুজিবুরের সঙ্গে ইয়াহিয়া খানের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর, ২৫ মার্চ, রাতের অন্ধকারে গোপনে ইয়াহিয়া খান ঢাকা ত্যাগ করেন। রাত ১১:৩০ মিনিটে জেনারেল রাওফরমান আলীর নেতৃত্বে ঢাকায় এবং জেনারেল খাদিম হোসেন রাজার নেতৃত্বে চট্টগ্রাম, কুমিল্লাসহ মোট ১০টি শহরে অপারেশন সার্চ লাইট শুরু করা হয়, যা ছিল ইতিহাসের বর্বরোচিত গণহত্যা। রাত ১:৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তার বাসভবন থেকে গ্রেফতারপূর্বক ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যাওয়া হয় এবং অতঃপর শেখ মুজিবকে গ্রেফতারকৃত অবস্থায় রাওয়ালপিন্ডির লয়ালপুর জেলে স্থানান্তর করা হয়।
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল, শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দিন আহমেদকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করে সরকার গঠন করা হয়। এম মনসুর আলীকে অর্থ মন্ত্রী, এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং খন্দকার মোশতাক আহমেদকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। অতঃপর ১৭ এপ্রিল, মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা আম্রকাননে দেশি বিদেশি সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে উল্লিখিত মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করেন। যাহা মুজিবনগর সরকার হিসেবে পরিচিতি পায়। খন্দকার মোশতাক মার্কিন মিশনের মাধ্যমে পাকিস্তানের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রক্ষা করত। ১৯৭১ সালের আগস্ট, মোশতাক শেখ মুজিবের মুক্তির (আড়ালে) বিনিময়ে পাকিস্তানের সঙ্গে কনফেডারেশন গঠনের ইচ্ছা ব্যক্ত করেন। পক্ষান্তরে তাজউদ্দিন আহমেদ বলেন, শেখ মুজিবের মুক্তি ও স্বাধীনতা দুটোই চাই। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিসহ মন্ত্রী পরিষদের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ তাজউদ্দিনের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। অতঃপর বিশেষ জরুরি কেবিনেট মিটিং খন্দকার মোশতাক ব্যতিরেকে অনুষ্ঠিত হয়। ইতিমধ্যে বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ও আব্দুস সামাদ আজাদকে বিশেষ দূত নিয়োগপূর্বক বিভিন্ন রাষ্ট্রে প্রেরণ করা হয়।
নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর, ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজীর নেতৃত্বে তিরানব্বই হাজার পাকিস্তানি সেনাসদস্য অস্ত্রশস্ত্রসহ বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল জগজিত্ সিং অরোরা এবং সেক্টর কমান্ডার এ কে খন্দকারের উপস্থিতিতে বিকাল ৪:০১ মিনিটে আ্ত্তসর্মপণের দলিলে স্বাক্ষর করেন। দলিলে প্রতিস্বাক্ষর করেন কমান্ডার জেনারেল অরোরা। উক্ত দলিলের শিরোনাম ছিল ‘ইন্সট্রুমেন্ট অব স্যারেন্ডার’। ইতিমধ্যে অস্থায়ী সরকার বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেন।
১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি, শেখ মুজিবুর রহমানকে পাকিস্তানের মিয়ানওয়ালি জেল থেকে মুক্তি দিয়ে লন্ডন পাঠানো হয়। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথ ৯ জানুয়ারি, দি ব্রিটিশ রয়েল এয়ার ফোর্সের জেট বিমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে লন্ডন থেকে দিল্লি, দিল্লি থেকে ঢাকা পাঠানোর সুব্যবস্থা করেন। ১০ জানুয়ারি ভারতের রাষ্ট্রপতি ভি ভি গিরী এবং প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী পালাম বিমান বন্দরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাগত জানান। প্রায় দুই ঘণ্টা পর জেট বিমানটি ঢাকার উদ্দেশ্যে পালাম বিমানবন্দর ত্যাগ করে। প্রায় বিকাল ৩.০০টায় হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি স্বাধীনতার মহানায়ক, বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের মাটি স্পর্শ করেন।
১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি, রাষ্ট্রপতি শাসিত পদ্ধতি পরিবর্তনপূর্বক, শেখ মুজিবুর রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। লক্ষ শহিদের স্বজনদের আহাজারি, বিধ্বস্ত অর্থনীতি, ধ্বংস প্রাপ্ত সেতু ও সড়ক, পাকিস্তান সেনাসদস্য কর্তৃক মাইন পরিবেষ্টিত অচল চট্টগ্রাম বন্দর, প্রায় ধ্বংস প্রাপ্ত বিমানবন্দর ও রেলব্যবস্থা। রাষ্ট্রীয় কোষাগার প্রায় শূন্য এবং দুর্বল প্রশাসনের বেহাল অবস্থায় বঙ্গবন্ধু দায়িত্ব ভার গ্রহণ করেন।
১৯৭৩ সালে প্রথম থেকেই জাসদের গণবাহিনীর অপতত্পরতা ও চরম বামপন্থিদের (চৈনিক পন্থি) গোপন হত্যাকাণ্ড দেশকে অস্থিতিশীল অবস্থায় দিকে ঠেলে দেয়। ১৯৭৪ সালে অর্থনৈতিক মন্দা ও কৃত্রিম খাদ্যসংকট সৃষ্টির নিমিত্তে মার্কিন খাদ্যবাহী জাহাজ বঙ্গোপসাগর থেকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। ১৯৭৫ সালে শুরু থেকেই ৭১ পরাজিত দেশি-বিদেশি শক্তি বঙ্গবন্ধুর সরকারকে উত্খাতের জন্য ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করতে থাকে। বিশেষ করে আইএসআইসহ কয়েকটি বিদেশি এজেন্টদের অপতত্পরতা অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট, রাত প্রায় ৯:০০টা। সেনাবাহিনীর টু ফিল্ড রেজিমেন্টের যানবাহনগুলো হঠাত্ সচল হয়ে উঠে। ঢাকা সেনাবাহিনীর দক্ষিণের একটি ইউনিট থেকে ১০৫ এমএম ১৮টি কামান ভারি ট্রাকের নির্মানাধীন কুর্মিটোলা এয়ারপোর্টে নৈশ প্রশিক্ষণের অজুহাতে নিয়ে যাওয়া হয়। বেঙ্গল ল্যানসারের টি-৫৪, ২৮টি গোলাবিহীন ট্যাংক রাত ১০:০০টার মধ্যে উক্ত কামান বহরের সঙ্গে যুক্ত হয়। ১৫ আগস্ট রাত ১১:০০টা মেজর শরিফুল হক ডালিম, মেজর নুর চৌধুরী, মেজর আজীজ পাশা, মেজর শাহরিয়ার, মেজর রাশেদ চৌধুরী, ক্যাপ্টেন বজলুল হুদা উপস্থিত হয়। ঘড়ির কাটাটি রাত ১২:০০টা অতিক্রম করেছে, মেজর ফারুকুর রহমান অপারেশনের মূল দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার হিসেবে উপস্থিত অফিসার ও সেনা সদস্যদের মূল পরিকল্পনাটি অবহিত করেন। মূল টার্গেট ৩২ নম্বরের রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি। একটি কামানসহ আর্টিলারির মেজর মহিউদ্দীন ৩২ নং লেকের পাড়ে অবস্থান নেয়। মেজর এ কে এম মহিউদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি আক্রমণের জন্য ১২টি ট্রাকে ৩৫০ সৈন্যের একটি বহর ৩২ নম্বরের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়। মেজর ডালিমকে আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের বাসা এবং রিসালদার মুসলিহউদ্দিনকে শেখ মণির বাড়ি আক্রমণের জন্য পাঠানো হয়। ভোর ৫:০০টার মধ্যে আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ও পরিবারের কয়েক জন সদসকে এবং শেখ ফজলুল হক মণি ও তার স্ত্রীকে হত্যা করা হয়। মেজর ফারুক কয়েকটি ট্যাংক নিয়ে রক্ষীবাহিনীর হেড কোয়ার্টারের সামনে অবস্থান নেয়। কিন্তু মেজর রশিদ অপারেশন-পরবর্তী অবস্থা সামাল দেওয়া এবং রাজনৈতিক সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। বিশেষভাবে উল্লেখ্য, উক্ত অপারেশনে সমগ্র সেনাবাহিনীর মাত্র দুটি ইউনিট অর্থাত্ মেজর ফারুকের নেতৃত্বাধীন বেঙ্গল ল্যানসার ইউনিট এবং সেনানিবাসের দক্ষিণে আরেকটি ইউনিট অপারেশনে অংশ গ্রহণ করেন। (তথ্য সূত্র: বিডি নিউজ টুয়েনটিফোর.কম)।
ভোর ৫:০০টায় রাষ্ট্রপতির বাড়ি লক্ষ্য করে কয়েকজন সেনাসদস্য গুলি ছুড়তে ছুড়তে গেটের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। শেখ কামাল দোতালা থেকে নিচে বারান্দায় গিয়ে পারিপার্শ্বিক অবস্থা বোঝার চেষ্টা করেন। হঠাত্ মেজর নুর, মেজর বজলুল হুদা সৈন্যদের নিয়ে শেখ মুজিবের বাড়িতে ঢুকেই ‘হ্যান্ডস আপ’ বলে চিত্কার করতে থাকে। তখন শেখ কামাল তার নিজ পরিচয় দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্রাশ ফায়ার করা হয়। শেখ কামাল মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। ইতিমধ্যে বঙ্গবন্ধু সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল শফিউল্লাহ এবং সামরিক সচিব কর্নেল জামিলকে তার বাড়ি আক্রান্ত হওয়ার খবরটি অবহিত করেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেন। গুলির শব্দ থামলে, শেখ মুজিব বারান্দায় আসলে মেজর মহিউদ্দীন ও তার সৈন্যরা রাষ্ট্রপতিকে ঘিরে ফেলে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামতে থাকে। বঙ্গবন্ধু বলেন, তোরা আমাকে কোথায় নিয়ে যাবি? সিঁড়ির মাঝামাঝি বজলুল হুদা ও নুর অবস্থান নেয়। হঠাত্ মহিউদ্দীন সরে দাঁড়ায়। আকস্মিক স্টেনগানের গুলিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর সিঁড়িতে লুটিয়ে পড়েন। বঙ্গবন্ধুর শরীরে মোট ১৮টি গুলি লাগে। স্বাধীনতার মহানায়কের নিথর দেহ সিঁড়ির মাঝে পড়ে থাকে। ৩২ নম্বরের বাড়িতে যাদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, তারা হলেন বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব, শেখ কামাল, শেখ জামাল, সুলতানা কামাল, রোজী জামাল, ১০ বছরের শিশু শেখ রাসেল, শেখ নাসের, রমা প্রমুখ (তথ্য সূত্র: বিডি নিউজ টুয়েনটিফোর.কম)।
ভোর ৫:০০টা অতিক্রম করেছে। বঙ্গবন্ধুর বাাড় ও আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের বাড়ি আক্রান্ত হওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী মনসুর আলী সেনা প্রধান জেনারেল শফিউল্লাহকে টেলিফোনে দ্রুত গতিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন এবং বিমান বাহিনীর প্রধান এ কে খন্দকারকে যথাযথ ব্যবস্থা ও প্রয়োজনে এয়ার ফোর্সের বিমান ব্যবহারের নির্দেশ প্রদান করে। টেলিফোনের অপর প্রান্ত থেকে পজিটিভ উত্তর দেওয়া হয়। ১৫ আগস্ট, রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবকে নির্মমভাবে হত্যা করার পর তিন বাহিনীর প্রধান ও উপ প্রধানগণ সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছিলেন কি?
ক) বিশ্ব শান্তি পরিষদের প্রেসিডেনশিয়াল কমিটির সভায় ১৪০ দেশের ২০০ জন প্রতিনিধি সর্বসম্মতিক্রমে, শেখ মুজিবের সারা জীবনের দর্শন এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়কের প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদক প্রাপক হিসাবে শেখ মুজিবুর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়।
খ) আন্তর্জাতিক নিউজ ম্যাগাজিন ‘নিউজ উইক’ ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল, সংখ্যাটি প্রচ্ছদ স্টোরিতে বঙ্গবন্ধুকে ‘রাজনীতির কবি’ বলে আখ্যায়িত করেন।
গ) ২০০৪ সালে বিবিসি কর্তৃক জনমত জরিপে শেখ মুজিবুর রহমানকে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহানায়ক, বিশ্ব শান্তির প্রতীক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নির্মম হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও মর্মান্তিক। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বাংলাদেশ তথা বিশ্ববাসীর হূদয়ে চির অম্লান ও চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
লেখক : প্রাক্তন সাংগঠনিক সম্পাদক, জাতীয় চার নেতা পরিষদ
