ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক, আইন ও মানবাধিকার সম্পর্কিত গ্রন্থের প্রণেতা ডক্টর মফিজুল ইসলাম পাটোয়ারীর হাত ধরে যাত্রা শুরু ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির। বর্তমানে এ ইউনিভার্সিটিতে প্রায় সাত হাজার ছাত্রছাত্রী লেখাপড়া করছেন। সমপ্রতি ‘দ্য ওয়ার্ল্ড ইম্প্যাক্ট ‘র্যাংকিং’-এর এক জরিপে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে র্যাংকিংয়ের দিক থেকে ৭ নম্বর স্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। ইউনাইটেড নেশনের ‘সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল’-এর ভিত্তিতে দ্য ওয়ার্ল্ড ইম্প্যাক্ট র্যাংকিং প্রতিষ্ঠানটি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মূল্যায়ন করে থাকে।
মানবাধিকার সংরক্ষণ এবং সামাজিক ন্যায়-বিচার প্রতিষ্ঠা সমাজের সামগ্রিক কল্যাণের অপরিহার্য উপাদান। এ চিন্তা থেকেই ডক্টর এমআই পাটোয়ারী তার প্রতিষ্ঠিত ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে মানবাধিকার বিষয়ক মাস্টার্স অব হিউম্যান রাইটস ল বিভাগটি চালু করেন।
এ ইউনিভার্সিটিতে আইন অনুষদ সর্বোচ্চ গুরুত্ব পেয়েছে। আর মাস্টার্স অব হিউম্যান রাইটস ল বিভাগটি চালু করার জন্য তিনি দেশে-বিদেশে অত্যন্ত প্রশংসনীয় অবদান রেখেছেন। বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত শিক্ষার্থীরা দুই বছরের কোর্সটি যাতে সহজেই সম্পন্ন করতে পারেন, তার জন্য প্রোগ্রামটি শুধু সাপ্তাহিক এবং অন্যান্য ছুটির দিনে ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এ প্রোগ্রামের উল্লেখযোগ্য কোর্সগুলো, যেমন- ইউনাইটেড নেশন এবং হিউম্যান রাইটস, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড মডার্ন স্টেট, হিউম্যান রাইটস আন্ডার রিজিওনাল সিস্টেম, ইকোনমিকস সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল রাইটস, হিউম্যান রাইটস ইন বাংলাদেশ, ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যানিটারিয়ান ল, হিউম্যান রাইটস ইন মডার্ন ওয়ার্ল্ড, কনজিউমার প্রোটেকশন ল, ইমিগ্রেশন অ্যান্ড রিফিউজি ল, রাইটস টু ডেভেলপমেন্ট ইন ইন্টারন্যাশনাল ল এবং জাস্টিস ফর চিলড্রেন। বর্তমানে এ ইউনিভার্সিটির আইন অনুষদের অধীন চার বছরমেয়াদি এলএলবি (সম্মান), এক বছরমেয়াদি এলএলএম (মাস্টার্স) প্রোগ্রাম এবং দুই বছরমেয়াদি এলএলএম (মাস্টার্স) প্রোগ্রাম চালু রয়েছে। মাস্টার্স অব হিউম্যান রাইটস ল এ অনুষদের অন্তর্ভুক্ত। বোর্ড অব ট্রাস্টিজের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এসকিউ পাটোয়ারী জানান, ‘নলেজ ইজ পাওয়ার’-এ স্লোগান নিয়ে এ ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। আমরা টিউশন ফি কম নিলেও লেখাপড়ার মানের দিক থেকে কখনো ছাড় দিই না।
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস ঢাকার বাড্ডার সাঁতারকুলে স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে সবুজে ঘেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর ও মনোমুগ্ধকর পরিবেশে রয়েছে দুটি বিশাল ভবন। যোগাযোগ : স্থায়ী ক্যাম্পাস, সাঁতারকুল, বাড্ডা। ৬৬, গ্রিন রোড, ঢাকা। এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করা যেতে পারে ০১৯৩৯৮৫১০৬০ এই নম্বরে।
