অক্ষম ও বয়স্কদের মুক্তির বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে ---------------স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:৪০

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, শারীরিকভাবে অক্ষম ও বয়স্কদের কারাভোগ থেকে বাদ দেওয়া যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে সার্বিক শৃঙ্খলা ও আনুষঙ্গিক বিষয়ে সভা শেষে তিনি একথা বলেন।  মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, যারা অচল হয়ে গেছে, বয়স্ক বা দীর্ঘদিন জেলে আছে, তাদের সনাক্ত করে মুক্তি দেওয়া যায় কিনা বিবেচনা করার জন্য।

জাহালমের কারাভোগ ও মুক্তি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ সংক্রান্ত আমাদের একটি সংস্থা আছে, কেউ এভাবে ভিকটিম হলে তারা তাকে সনাক্ত করার চেষ্টা করে। জাহালমের ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত কয়েকদিনে নয় জনের মতো মানুষ সীমান্তে নিহত হয়েছেন। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, সীমান্তে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড যেন না হয় এবং বিএসএফ কেন হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে— সে বিষয়ে বিজিবি আলোচনা করছে। গত কয়েক বছর সীমান্তে ‘হত্যাকাণ্ড শূন্য’ অবস্থা বিরাজমান ছিল। কিন্তু নতুন করে কেন এ সমস্যা হচ্ছে, সেটি নিয়ে আরও উচ্চপর্যায়ে আলোচনা হবে।

মিয়ানমার থেকে নতুন করে জনগোষ্ঠী আসার খবর নজরে আনলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিজিবি জানিয়েছে সীমান্তে সব রকম  প্রস্তুতি রয়েছে। মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের কিছু দুর্গম এলাকা রয়েছে। সেখানে বিজিবি সতর্কাবস্থানে আছে। যেভাবে আমরা শুনছি, তেমন আসেনি। যারাই আসুক, তাদের আসা বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছি।

২১ ফেব্রুয়ারির নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শহীদ মিনারের দায়িত্ব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়ে থাকে, তাদের নিরাপত্তার জন্য আমাদের বাহিনী কাজ করে। এবার বিএনসিসির ৫শ’ সদস্য সেখানে থাকবে। নিরাপত্তার জন্য পুলিশ-র্যাব, গোয়েন্দা এবং প্রয়োজনে বিজিবি-আনসার কাজ করবে। পুরো এলাকা সিসিটিভির আওতায় আনা হবে। কিছু কিছু স্থানে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে এবং বইমেলাও চলছে, সব মিলিয়ে একটি ট্রাফিক ব্যবস্থা আমরা করব, সেজন্য রোডম্যাপ তৈরি করব। শুধু ঢাকা-শহরই নয়, পুরো  দেশজুড়ে সাধারণ মানুষ যেন শান্তিতে দিবসটি পালন করতে পারে, সেজন্য সব জায়গায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সরস্বতী পূজার সময়ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।