পানছড়িতে জনসংহতির এক সদস্যকে গুলি করে হত্যা

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:৪১

পানছড়িতে জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা) গ্রুপের যুব সমিতির সদস্য রনি ত্রিপুরাকে (৩০) গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল পানছড়ি বাজারের শুকতারা হোটেলে এই ঘটনা ঘটে। পানছড়ির উল্টাছড়ি ইউনিয়নের মরাটিলার নলিন্দ্র ত্রিপুরার ছেলে রনি। এ ঘটনায় ইউপিডিএফকে দায়ী করেছে জেএসএস (এমএন লারমা)। তবে ইউপিডিএফ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। 

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অস্ত্রধারী এক লোক হোটেলে ঢুকে খুব কাছ থেকে রনি ত্রিপুরাকে গুলি চালালে সে নিহত হয়। অস্ত্রধারী গুলি চালিয়ে মাছ বাজারের দিকে দ্রুত পালিয়ে যায়। পুলিশ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তাকে পানছড়ি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিত্সক মৃত ঘোষণা করেন।

পানছড়ি বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, বিগত কয়েক বছর ধরে পানছড়ি বাজারের শুকতারা হোটেলে রয়েছেন জেএসএস (এমএন লারমা) দলের সদস্যরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইউপিডিএফ গত বছরের ২১ মে থেকে পাহাড়িদের সাপ্তাহিক বাজারে আসতে দিচ্ছে না। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।

পানছড়ি থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ দুলাল হোসেন বলেন, আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে ইউপিডিএফ এই হত্যা ঘটিয়ে থাকতে পারে। আজ সকালে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হবে। এ ব্যাপারে এখনো কেউ মামলা করেনি।

জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সুদর্শন চাকমা বলেন, রনি ত্রিপুরা দলের যুব সমিতির সদস্য।  প্রসিত খীসাপন্থি ইউপিডিএফ এর সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যা করেছে।

ইউপিডিএফ এর জেলা সংগঠক মাইকেল চাকমা সাংবাদিকদের বলেন, এটি ইউপিডিএফের নামে অপপ্রচার। এই হত্যাকাণ্ড জেএসএসের (এমএন লারমা) দলীয় কোন্দলে হতে পারে।