আফগানিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলীয় হেরাত শহরে সাদা হিজাব এবং কালো বোরকা পরে স্কুলে ফিরেছে মেয়ে শিক্ষার্থীরা। কাবুল দখলের দুই দিন পরেই এমনটা দেখা মিললো আফগানিস্তানে। দেশজুড়ে যে অস্থিরতা বিরাজ তা উপেক্ষা করেই আবারও পড়াশোনায় মনোযোগী হচ্ছে তারা।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার বরাতে জানা যায়, চলতি মাসে আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে তুমুল লড়াই চলে তালেবানের। দখলে নেয় একের পর এক প্রাদেশিক রাজধানী। নিরাপত্তা সংকট ও ভয়ে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয় শিক্ষার্থীরা। বন্ধ হয়ে যায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও। আপাতত সেই শঙ্কার মেঘ কেটে গেছে। সরকারি বাহিনী এবং স্থানীয় মিলিশিয়াদের পতনের পর হেরাতের দখল তালেবানের হাতে চলে যাওয়ার পর চলতি সপ্তাহে এএফপির একজন আলোকচিত্রী ছাত্রীদের স্কুলে ফেরার ছবি ক্যামেরায় ধারণ করেন।

এমন পরিস্থিতিতে অনেকটাই বদলে গেছে আফগানিস্তানের স্বাভাবিক দৃশ্য। রাস্তায় রাস্তায় তালেবান সদস্যদের নিরাপত্তায় নেমেছেন। কাবুল দখলের তৃতীয় দিনেই হেরাত শহরের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা স্কুলে যোগ দিয়েছে। এক শিক্ষার্থী বলে, ‘আমরা অন্যান্য দেশের মতোই উন্নতি করতে চাই। তালেবান আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করুক। আমরা আর যুদ্ধ চাই না। এই দেশে শান্তি চাই’।
১৯৯০ এর দশকে আফগানিস্তান নিয়ন্ত্রণের সময় তালেবানরা যে শরিয়াহ আইনের কঠোর সংস্করণের প্রয়োগ করেছিল, তাতে নারী এবং মেয়েদের বেশিরভাগই শিক্ষা এবং চাকরি থেকে বঞ্চিত ছিলেন। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত শাসন করে তালেবান। পরবর্তীতে তালেবান সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে যুক্তরাষ্ট্র।
ইত্তেফাক/এএইচপি
