আফগানিস্তান দখলের পর এখন তালেবান গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এই চ্যালেঞ্জ শুধু কাবুলে নয় বরং পুরো আফগানিস্তান জুড়েই। যদিও সামরিক প্রতিরোধ তালেবানের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা নাও হতে পারে। আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে ও বাইরে প্রতিরোধের স্কেল এবং প্ল্যাটফর্ম অনেক। দ্য উইকে প্রকাশিত এক লেখায় এসব বলা হয়েছে।
সেখানে আরো বলা হয়, ২৯ বছর বয়সী মতিউল্লাহ ওয়েসা তালিবানদের জন্য একটি বার্তা দিয়েছেন। বার্তায় বলা হয়, তালেবান আফগানিস্তানে সহিংসতা, যুদ্ধ এবং ধ্বংসের অবসান ঘটাতে চায় তাহলে তাদের উচিত ছেলে ও মেয়েদের শিক্ষিত হওয়া, তাদের অধিকার এবং অন্যদের অধিকার সম্পর্কে জানা।
আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশে জন্ম নেওয়া ওয়েসা ৯০ -এর দশকে তার স্কুল জ্বলতে দেখেছিলেন এবং একটি মাইন বিস্ফোরণে তার কাজিনকে হারিয়েছিলেন। তিনি পেনপাথ নামে একটি এনজিও পরিচালনা করেন যা আফগানিস্তানের গ্রামাঞ্চলে যুদ্ধের দ্বারা বন্ধ অনেক স্কুল পুনরায় চালু করে।
শিক্ষিত শহুরে আফগানরা হয়তো ইসলামীকরণের বিপক্ষে নয় কিন্তু ইতিহাস তাদের শিখিয়েছে যে জাতিগুলি তাদের নিজস্ব মানুষ দ্বারা নির্মিত হয়। আফগানরা কিছুদিন ধরে আত্মনির্ভরশীল এবং স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করছে।
ইত্তেফাক/এসএ
