বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
হিমন এডওয়ার্ড গোমেজ, সিনিয়র শিক্ষক
সেন্ট গ্রেগরী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা
রচনামূলক প্রশ্নোত্তর
সুপ্রিয় বন্ধুরা, প্রতিটি অধ্যায় প্রথমে কয়েকবার পড়ে নেবে মনোযোগ দিয়ে।
৬.মুক্তিযুদ্ধে সাধারণ মানুষ কীভাবে অংশ নিয়েছিলেন পাঁচটি বাক্যে লেখ।
উত্তর : মুক্তিযুদ্ধে সাধারণ মানুষ যেভাবে অংশ নিয়েছিলেন সে সম্পর্কিত পাঁচটি বাক্য—
১.মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় দিয়ে।
২.খাদ্য দিয়ে।
৩.শত্রু সম্পর্কিত তথ্য সরবরাহ করে।
৪.লড়াই চালিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করে।
৫.যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে।
৭. ১৪ই ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয় কেন? পাঁচটি বাক্যে লেখ।
উত্তর : যে কারণে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয় তা নিচে পাঁচটি বাক্যে লিখা হলো—
১.শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার জন্যে।
২.তাদেরকে স্মরণ করার জন্যে।
৩.মুক্তিযুদ্ধে তাদের অবদানের জন্যে।
৪.তাদের পরিবারের প্রতি সহমর্মী হওয়ার জন্যে।
৫.বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করার জন্যে।
৮. বুদ্ধিজীবী কারা? বুদ্ধিজীবীদেরকে হত্যা করা হয়েছিল কেন? বুদ্ধিজীবী হত্যার তিনটি ফলাফল লেখ।
উত্তর : যারা সমাজ ও সংস্কৃতি সচেতন এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানে দক্ষ, সুশিক্ষিত মানুষ হিসেবে মানসিক শ্রম বা বুদ্ধিবৃত্তিক শ্রম দেন, তারাই বুদ্ধিজীবী।
বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার লক্ষ্যে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়।
বুদ্ধিজীবী হত্যার তিনটি ফলাফল হলো—
১.বাঙালি জাতি মেধাশূন্য হয়ে পড়ে।
২.উন্নত ও স্বতন্ত্র সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে পড়ে।
৩.আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে জাতি অভিভাবক শূন্য হয়ে পড়ে।
৯.অপারেশন সার্চ লাইট কী? অপারেশন সার্চ লাইট পরিচালিত হয়েছিল কেন? অপারেশন সার্চ লাইটের তিনটি ফলাফল লেখ।
উত্তর : ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী নিরীহ বাঙালির ওপর অতর্কিত আক্রমণ করে। এই আক্রমণের নাম দেয়া হয়েছিল অপারেশন সার্চ লাইট।
নিরীহ বাঙালিদের হত্যা করার জন্যে অপারেশন সার্চ লাইট পরিচালিত হয়েছিল।
অপারেশন সার্চ লাইটের তিনটি ফলাফল হলো—
১.প্রায় ৩০ লাখ বাঙালি শহিদ হন।
২.গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া হয়।
৩.হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি হারান।
১০.পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক বুদ্ধিজীবিদের হত্যার পাঁচটি কারণ তোমার নিজের ভাষায় উল্লেখ কর।
উত্তর : পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক বুদ্ধিজীবিদের হত্যার পাঁচটি কারণ ছিল নিম্নরূপ—
১.মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করা।
২.মুক্তিযুদ্ধ সংগঠনকারীদের শেষ করা।
৩.মুক্তিযুদ্ধের সহায়তাকারীদের সরিয়ে ফেলা।
৪.জনমত গঠনকারীদের নিশ্চিহ্ন করা।
৫.এদেশকে মেধাশূন্য করা।
