বিশ্বায়নের এ যুগে দেশে ও বিদেশে মানসম্মত শিক্ষার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ২০০৩ সালে রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র লালমাটিয়ায় কোলাহলমুক্ত পরিবেশে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজটির যাত্রা শুরু হয়। ড্যাফোডিল ফ্যামিলির কর্ণধার, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবী ড. মো: সবুর খান কলেজটির প্রতিষ্ঠাতা। ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণিতে বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় অধ্যয়নের সুযোগ রয়েছে। উল্লেখ্য যে, এখানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইংরেজি, বিবিএ, সিএসই, ফিন্যান্স ও মার্কেটিং বিষয়সমূহে অনার্স কোর্স চালুর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের পাঠ্যসূচি অনুযায়ী বাংলা মাধ্যম ও ইংরেজি ভার্সনে শিক্ষা। নিয়মিত সাপ্তাহিক পরীক্ষা, মাসিক পরীক্ষা এবং অন্যান্য মূল্যায়ন পরীক্ষার ব্যবস্থা। দক্ষ এবং অভিজ্ঞ শিক্ষকদের দ্বারা মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। নিয়মিত গাইড শিক্ষকের তত্ত্বাবধান। আবশ্যিকভাবে কম্পিউটার শিক্ষার ব্যবস্থা। অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য আর্থিক সুবিধা। রাজনীতি ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ।
শিক্ষাবর্ষ দুটি টার্ম/পর্বে বিভক্ত। একাদশ শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে প্রমোশন পেতে হলে ৭৫% ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে। তাছাড়া কলেজে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় নির্ধারিত গ্রেড পয়েন্ট (বিজ্ঞান শাখায় জিপিএ ৩ এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় জিপিএ ২.৫) না পেলে এবং শ্রেণি-উপস্থিতি সন্তোষজনক না থাকলে বোর্ড পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হয় না। অন্যান্য নিয়ম-কানুনগুলো নিম্নরূপ:
বোর্ড পরীক্ষায় পাসের হার জিপিএ-৫ সহ শতভাগ । কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা দেশের স্বনামধন্য সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে, অনেক শিক্ষার্থী বিদেশেও উচ্চ শিক্ষা নিচ্ছে। এটা আমাদের জন্য কৃতিত্ব ও গৌরবের বিষয়। কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি সংগঠন (এলামনাই এসোসিয়েশন) রয়েছে।
করোনাকাতর পৃথিবীর যন্ত্রণাময় জীবনের বিবর্ণ রূপ, বাঁচার আকাঙ্ক্ষা প্রবল, নিঃশেষিত অক্সিজেন, চারিদিকে আক্রান্ত মানুষের আর্ত চিত্কারে ভারি হয়ে আছে আকাশ বাতাস। এভাবেই কেটে গেল প্রায় দেড় বছর। করোনাকালে গৃহবন্দী মানুষ; বন্ধ স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় । বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় সকল স্তরের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী যেখানে অনেকাংশে দিকভ্রান্ত কিংবা হতাশায় নিমজ্জিত, সেখানে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবক এই ত্রিমাত্রিক প্রয়াসের সমন্বয়ে করোনা অতিমারির শুরু থেকেই শ্রেণি কার্যক্রমসহ প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বর্তমানে ড্যাফোডিল গ্রুপের নিজস্ব প্লাটফর্ম Smart Edu (EMS, eLerning, Smart Board, Event, Dashboard etc.) এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাড়ির কাজগুলোর প্রতি পর্যাপ্ত গুরুত্ব দিয়ে তাদেরকে যথাযথ অনুশীলনের আওতায় আনা হয়েছে এবং কুইজ, হ্যান্ডনোট, অ্যাসাইনমেন্ট ইত্যাদি আদান-প্রদান করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের উত্সাহ এবং শিক্ষকবৃন্দের আন্তরিকতায় প্রতিটি ক্লাস হয়ে উঠছে প্রাণবন্ত। জাতীয় দিবসসমূহ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে নিয়মিত। অনুষ্ঠিত হচ্ছে নানা প্রকার অনলাইনভিত্তিক সৃজনশীল প্রতিযোগিতা।
