স্পোর্টস ডেস্ক
দৃশ্যত লিভারপুল ও ম্যানচেস্টার সিটির মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের লড়াই। তাই এখন প্রতি রাউন্ডেই চাপে থাকছে দলদুটি। তবে এই চাপ সবচেয়ে বেশি লিভারপুলের ওপরই।
কেননা তারা সিটির চাইতে সাত পয়েন্টে এগিয়ে থেকেও টানা দুই ড্রয়ে সেটি হাতছাড়া করে আজ শনিবার বোনমাউর্থের বিরুদ্ধে নিজ মাঠে খেলতে নামছে। আর এরপরদিনই মাঠে নামবে চেলসি। বিপক্ষ চেলসি।
লিভারপুল এখন সিটির সাথে সমান ৬২ পয়েন্টে আছে। কিন্তু গোল ব্যবধানে এগিয়ে শীর্ষে ফিরেছে পেপ গার্দিওলার সিটি। কোচ য়ুর্গেন ক্লপের দল সিটির চাইতে এক ম্যাচ কম খেলেছে। তাই আজ জিতলে লিভারপুল তিন পয়েন্টে এগিয়ে আবার লিগের শীর্ষে ফিরবে।
হাতের লক্ষ্মী পায়ে ঠেলার মতো পরিস্থিতিতে পড়েছে লিভারপুল। সিটি গত সপ্তাহে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের কাছে হেরে যাওয়ায় পোয়াবারো হয়েছিল ১৯৯০ এর পর আবার প্রিমিয়ার লিগ জয়ের লক্ষ্যে থাকা লিভারপুলের। কিন্তু প্রথমে লেস্টার সিটি ও পরে ওয়েস্ট হ্যামের সাথে ড্র করে নাগালের মধ্যে থাকা শিরোপাটাই আবার দূরবর্তী হয়ে যায় তাদের।
এ থেকে বোঝা যায় শিরোপা জয়ের চাপটা নিতে পারছে না ক্লপের দল। রেডস ডিফেন্ডার অ্যান্ড্রু রবাটসন অবশ্য বলেছেন বোর্নমাউথের বিরুদ্ধে ইতিবাচক ফল এলেই চাপ কেটে যাবে। এ প্রসঙ্গে তার মত, ‘আমি বলবো না স্নায়ুর চাপ আছে। লোকজন চাপের ব্যাপারে কথা বলছে। কারণ আমরা এরকম পরিস্থিতিতে আগে পড়িনি। কিন্তু এটা ফেব্রুয়ারি। সবারই চাপহীন থাকা দরকার এবং চেষ্টা চালিয়ে এগিয়ে যাওয়াটা উপভোগ করা উচিত।’
ম্যানচেস্টার সিটি অবশ্য এ রাউন্ডে কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। আগামীকাল রবিবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া খেলাটি বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের কাছে অনেকটা ফাইনালের মতো। গার্দিওলা তার খেলোয়াড়দের বলেছেন চেলসিকে হারিয়ে তারা যে লিভারপুলকে দূরে রাখতে সক্ষম, সেটা যেন প্রমাণ করে।
আগামীকাল রবিবার নিজেদের মাঠ ইত্তেহাদ স্টেডিয়ামে চেলসিকে আতিথ্য দেবে শিরোপাধারীরা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে সিটির সাথে সাত পয়েন্টের ব্যবধান কমিয়ে আনা গার্দিওলা এও জানেন যে চতুর্থ স্থানে থাকা চেলসির মোকাবেলায় সিটির আত্মতুষ্টিতে ভোগা চলবে না।
স্পানিশ কোচটি এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এখন আসছে বড় একটা পরীক্ষা, একটা বড় লক্ষ্য। চেলসি ব্যতিক্রমী এক দল যারা কিনা আবার প্রস্তুতির জন্য সাতদিন সময় পেয়েছে। এ সপ্তাহে এটা সত্যি আমাদের জন্য একটা ফাইনালই। যদি আমরা এই পয়েন্টগুলো নিতে পারি, সেটা হবে বড় এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া।’
