নতুন রূপে ফিরছে তৈরি পোশাকের ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড। আন্তর্জাতিক শ্রম সংগঠনের চাপে আগের চেয়ে বড় পরিসরে আসছে অ্যাকর্ড। নতুন নাম হচ্ছে দ্য ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড ফর হেলথ অ্যান্ড সেফটি ইন দ্য টেক্সটাইল অ্যান্ড গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি বা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড। বর্তমান অ্যাকর্ডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ অনেক ব্র্যান্ডই নতুন চুক্তির বিষয়ে সম্মত হয়েছে।
রানা প্লাজা ধসের পর রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানার কর্মপরিবেশ উন্নয়নে ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ তৈরি হয়েছিল। সাত বছর কাজ করার পর গত বছর দেশীয় ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগ আরএমজি সাসটেইনেবল কাউন্সিলের (আরএসসি) কাছে কার্যক্রম হস্তান্তর করে বাংলাদেশ ছাড়ে অ্যাকর্ড। তারপর থেকেই নেদারল্যান্ডসে সীমিত পরিসরে কার্যক্রম চালানো অ্যাকর্ডের চুক্তির মেয়াদ চলতি মাসে শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু নতুন পরিসরে অ্যাকর্ড ফিরে আসার ঘোষণা দিয়েছে। গত সপ্তাহে ইউরোপে দুই বছরের জন্য নতুন অ্যাকর্ডের চুক্তিটি হয়েছে। নতুন অ্যাকর্ডের কার্যক্রম ১ সেপ্টেম্বর থেকে চালু হবে।
ইন্ডাস্ট্রি অল গ্লোবাল কাউন্সিলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা উল্লেখ করেছে, নতুন অ্যাকর্ড শুধু কারখানা ভবন ও অগ্নিনিরাপত্তা নয়, কর্মীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার বিষয়ও তদারকি করবে। তাছাড়া প্রথম দুই বছরে অন্তত একটি দেশে কার্যক্রম চালু করবে অ্যাকর্ড। সে জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শিগিগরই শুরু হবে। আরএসসির কাজও তদারকি করবে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড। উল্লেখ্য, অ্যাকর্ডের পরিদর্শন ও সংস্কার কার্যক্রমের অধীনে ছিল ১ হাজার ৬২৯ কারখানা। গত বছর অ্যাকর্ড যখন বাংলাদেশ ছাড়ে, তখন কারখানাগুলোর অগ্নি, বৈদ্যুতিক ও কাঠামোগত ত্রুটির ৯২ শতাংশ সংশোধনের কাজ শেষ হয়।
