কক্সবাজার বিমানবন্দরকে বিশ্বমানের বিমানবন্দরে পরিণত করতে প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনায় নতুন টার্মিনাল ভবন নির্মাণ, শক্তি বৃদ্ধি, এয়ারফিল্ড গ্রাউন্ড লাইটিং সিস্টেম স্থাপনসহ অন্যান্য কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এবার শুরু হবে আন্তর্জাতিক মানের রানওয়ে সম্প্রসারণ কাজ। এ উপলক্ষ্যে আগামীকাল রবিবার ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করে প্রকল্প কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রানওয়ে সম্প্রসারণ হলে এ বিমানবন্দরে বোয়িং-৭৭৭ ও বোয়িং-৭৪৭ মডেলের বিমানগুলো ওঠা-নামা করতে পারবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী শুক্রবার কক্সবাজার বিমানবন্দর পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের বলেন, ‘কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা ইতিপূর্বে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে কক্সবাজারে ছোট-বড় প্রায় ৭২টি উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গা ইস্যুটি আন্তর্জাতিক হওয়ায় এখানে দেশি-বিদেশি কর্মকর্তা এবং পর্যটকও আসা-যাওয়া করেন। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের যাতায়াতকে সহজ ও আরামদায়ক করতে বিমানবন্দরটি আন্তর্জাতিক ও আধুনিকায়নের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিমানবন্দর রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মো. মাসুদুল হাসান বলেন, ১১ আগস্ট রানওয়ে সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়েছে। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ৯ হাজার ফুট রানওয়ের সঙ্গে যোগ হবে আরো ১ হাজার৭০০ ফুট। ১ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্ধারিত প্রকল্পটি শেষ করতে সময় লাগবে আগামী ৩৩ মাস। সূত্র জানায়, বিমানবন্দরের বর্তমান ৯ হাজার ফুট দীর্ঘ রানওয়েকে মহেশখালী চ্যানেলের দিকে আরো ১ হাজার ৭০০ ফুট সম্প্রসারিত করে মোট ১০ হাজার ৭০০ ফুটে উন্নীত করা হবে বলে জানিয়েছেন তারা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সম্প্রসারিত হতে যাওয়া ১ হাজার ৭০০ ফুট রানওয়ের মধ্যে ১ হাজার ৩০০ ফুটই থাকবে সাগরের পানির মধ্যে। দেশে এই প্রথমবারের মতো সমুদ্রের ভেতরে ব্লক তৈরি করে রানওয়ে সম্প্রসারিত করা হবে।
