আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পোমরা ইউনিয়নে নাকি জিয়াউর রহমানকে প্রথম কবর দেওয়া হয় কিন্তু সেখানে কেউ জিয়াউর রহমানকে কবর দিতে দেখেনি, একটা বাক্স দেখেছিল। সেদিনের প্রত্যক্ষদর্শী বর্তমানে ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কুতুব উদ্দিন আমাকে জানিয়েছেন তারা জিয়াকে দেখেনি। এমনকি সেই সময়ের আরো অনেকেই এখনো জীবিত। তারাও তথাকথিত প্রথম কবরে জিয়াউর রহমানের লাশ দেখেনি। এমনকি খালেদা জিয়া, তারেক জিয়া, বিচারপতি সাত্তারও দেখেননি। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপির রাজনীতি দাঁড়িয়ে আছে সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং অসত্যের ওপর। মিথ্যা আর অসত্যের রাজনীতি বেশি দিন টিকে থাকে না, এটিই ইতিহাসের শিক্ষা। গতকাল শুক্রবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে ১৫ ও ২১ আগস্টে নিহতদের স্মরণে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগ আয়োজিত এ সভায় ড. হাছান মাহমুদ আরো বলেন, বিএনপির নেতারা ক্রমাগতভাবে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকাকে অস্বীকার করে আসছে। তারা একজন খলনায়ককে নায়ক বানানোর অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে তাকে ইতিহাসের পাতা থেকে নির্বাসিত করার অপচেষ্টা হয়েছে। রেডিও টেলিভিশন রাষ্ট্রীয় প্রচার যন্ত্র থেকে বঙ্গবন্ধুকে নির্বাসিত করা হয়েছে। জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত ছিল।
উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হোসেন চৌধুরী তপুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম, সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. আতাউর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা স্বজন কুমার তালুকদার, দেবাশীষ পালিত, জসিম উদ্দিন শাহ, শাহজাহান সিকদার, নজরুল ইসলাম তালুকদার, ইদ্রিছ আজগর, গিয়াস উদ্দিন, ইফতেখার হোসেন বাবুল, আকতার হোসেন খান, শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
