ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন ও সমপ্রসারণে সিলেট ও চট্টগ্রাম চেম্বারের সমিতি

আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ২২:৪২

সিলেট এবং চট্টগ্রামের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন ও সমপ্রসারণে যৌথ উদ্যোগে কাজ করার জন্য সম্মত হয়েছে সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি। একই সাথে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে রেল, মহাসড়ক ও বিমানের ফ্লাইট চালুর ব্যাপারে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট যৌথভাবে দাবী জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উভয় চেম্বারের নেতৃবৃন্দ।

শনিবার সিলেট চেম্বার কনফারেন্স হলে সিলেট ও চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির যৌথ সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় বলা হয়, সিলেট এবং চট্টগ্রামের মধ্যে ভৌগলিক, সামাজিক এবং ব্যবসায়ীক যে সমপর্ক রয়েছে তা কাজে লাগিয়ে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করলে সবক্ষেত্রে সাফল্যের দ্বার আরো উন্মোচিত হবে। যৌথ সভায় সিলেট চেম্বারের পক্ষে সভাপতিত্ব করেন সিলেট চেম্বারের সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ এবং চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি‘র পক্ষে নেতৃত্ব দেন চিটাগাং চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম। সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এসময় ড. মোমেন বলেন, সিলেট এবং চট্টগ্রামের মধ্যে সড়ক, রেল ও বিমান যোগাযোগ উন্নত করলে পর্যটন শিল্প, আইটি সেক্টরসহ বিভিন্ন খাতে শিল্পোদ্যোক্তারা লাভবান হবেন। তিনি বলেন, সিলেট ডিজিটাল সিটির মতো চট্টগ্রাম সিটিকে কিভাবে ডিজিটাল সিটিতে রূপান্তরিত করা যায় এজন্য আমরা সিটি মেয়রকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছি। তিনি জানান, সিলেট এয়ারপোর্টের জন্য বিশাল প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। তা বাস্তবায়িত হলে বর্তমান এয়ারপোর্ট চারগুন বৃদ্ধি পাবে।

 চট্রগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, কমিটমেন্টের দিক দিয়ে চট্টগ্রাম ও সিলেটের  মানুষ যেমন দৃঢ়চেতা তেমনি এ দু‘অঞ্চলের মানুষের মনও অনেক বড়। আমার শুনে ভালো লেগেছে সিলেটে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা নির্বিঘ্নে ও শান্তিতে ব্যবসা করছেন, যেখানে তারা চাঁদবাজি ও কোন ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন না, এটি খুবই ইতিবাচক দিক। সিলেট চেম্বারের সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ বক্তব্যে বলেন, চট্রগ্রাম ও সিলেটের নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য দেশ-বিদেশের পর্যটকদের দারুণভাবে আকর্ষণ করে। কিন্তু সিলেট ও চট্রগ্রামের যাতায়াত ব্যবস্থার অপ্রতুল।