ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে গত বৃহস্পতিবার রাতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ শক্তির মহড়া দেয়। ঐ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই গত শুক্রবার রাতে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি তাসরেক আলম ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মো. শরিফুল ইসলামের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করেছে ছাত্রলীগ নামধারী একটি গ্রুপ।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কসবা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির প্রস্তুতি সভা চলাকালে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন রিমন ও উপজেলা ছাত্রলীগ সাবেক সহসভাপতি তাসরেক আলমের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। উপস্থিত নেতৃবৃন্দ তাত্ক্ষণিক ঝামেলা মিটিয়ে দিলেও পরক্ষণেই শরীফের নেতৃত্বে একদল লোক এসে ছাত্রলীগের অফিসে চেয়ার ভাঙচুর করে। এ সময় আইনমন্ত্রীর একান্ত সহকারী সচিব ও কসবা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুল কাউসার ভূইয়া জীবন তাদের নিবৃত্ত করে সরিয়ে দেন। এ খবর শুনে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মনির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন রিমনের গ্রাম থেকে শত শত মানুষ এসে দা, লাঠি নিয়ে কসবা পুরাতন বাজারে মহড়া দেয়। এ সময় ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত হয়ে দোকানপাট বন্ধ করে দিকবিদিক পালায়।
এ বিষয়ে আইনমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব অ্যাডভোকেট রাশেদুল কায়সার ভূইয়া জীবন বলেন, ‘আধিপত্য নিয়ে এটা তাদের পূর্ব বিরোধ। এই হামলার সঙ্গে বিএনপি-জামায়াত বা দলীয় সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিদের কোনো প্রকার সম্পৃক্ততা আছে কিনা আমরা খতিয়ে দেখছি।’
