সম্প্রতি আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। সেখানে অতিথি হিসেবে ছিলেন আমেরিকান স্কলার ক্রিস্টিন ফেয়ার। কিন্তু তিনি যখন বর্তমান দুঃখজনক অবস্থার কারণ হিসেবে পাকিস্তান এবং তালেবানের মধ্যকার সম্পর্ক উন্মোচন করছিলেন, ঠিক তখনই উপস্থাপক ফিলিপা থমাস তার সংযোগটি কেটে দেন।
পরবর্তীতে উপস্থাপক বলেন, ‘পয়েন্ট অব ভিউ রাখার জন্য আমরা আপনাকে জায়গা দেবো, তবে আমরা এখন এটা বন্ধ করছি।’
Quite gross from @BBCNews: our "impartiality" doctrine was used to basically shut down @CChristineFair when she explained #Pakistan's jihad policy in #Afghanistan that has brought us all to this catastrophe — an issue on which there is no "balance" or "other side", factually. pic.twitter.com/FSzXKLMExN
— Kyle Orton (@KyleWOrton) September 4, 2021
জাস্ট আর্থ নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার পরপরই এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট টুইটার ব্যবহারকারী বিবিসির এই ধরনের কাজের সমালোচনা করেছেন।
এক টুইট বার্তায় ওয়াশিংটনে পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং বর্তমানে হাডসন ইনস্টিটিউটের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার পরিচালক হুসেন হাক্কানি বলেন, ‘একজন অতিথির সংযোগ হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া, এটি কেমন কাজ? অবশ্যই তিনি পরে একজন পাকিস্তানি কর্মকর্তাকে আমন্ত্রণ জানাতে পারতেন ওই বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গি জানার জন্য’।
How is it @PhilippaBBC’s job to shut a guest down? Surely, she could have invited a Pakistani official later to give their view. As a news anchor, she should know that many people have the same analysis/view as @CChristineFair whether one agrees with it or not. https://t.co/LrZfxNGhSx
— Husain Haqqani (@husainhaqqani) September 5, 2021
ভারতীয় সাংবাদিক সুহাসিনী হায়দার বলেন, ‘এটাও বলা ঠিক নয় যে পাকিস্তান তালেবান তৈরি করার কথা অস্বীকার করে। বরং তারা এটি অনেকবার বলেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় তালেবানকে গড়ে তুলেছে তারা’।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ওই অতিথি বলছিলেন, পাকিস্তান তার নিজের দেশে সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেয় শুধুমাত্র এই আশা নিয়ে... এর পরই উপস্থাপক তার কথা থামিয়ে দেন। সংযোগটি কাটার আগে ফেয়ারকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনি তাদের হয়ে কাজ করছেন’।
ইত্তেফাক/আইডি/টিএ
