ইত্তেফাক রিপোর্ট
ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ২৪তম আসরে বাংলাদেশি কোম্পানিগুলো প্রায় ২০০ কোটি টাকার রপ্তানি আদেশ পেয়েছে বলে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, গত বছর ১৬৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকার রপ্তানি আদেশ পাওয়া গিয়েছিল। আর এ বছর বাংলাদেশি কোম্পানিগুলো প্রায় ২০০ কোটি টাকার রপ্তানি আদেশ পেয়েছে। সে হিসেবে এ বছর রপ্তানি আদেশ বেড়েছে ৩৫ কোটি টাকা। গতকাল শনিবার বাণিজ্য মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এ মেলায় মানুষের উপস্থিতি প্রায় অর্ধ কোটি পার হয়েছে। এবার বিক্রি ও রপ্তানি আদেশ ভালো হয়েছে। আমাদের মেলার চাহিদা যেভাবে বাড়ছে, এখানে মেলা করতে হিমশিম খেতে হয়। আগামীতে পূর্বাচলে ৩০ একর জায়গায় এ মেলা আয়োজন করা সম্ভব কি-না, তা এখন থেকেই ভাবতে হবে। তবে আগামী ১০ থেকে ১৫ বছর পর মেলার চাহিদা আরো বাড়বে।
সম্প্রতি চামড়া রফতানি কমেছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা যদি আগাতে চাই, তাহলে আমাদের রফতানি বাড়াতেই হবে। এ ক্ষেত্রে শুধু গার্মেন্টসের ওপর নির্ভর না করে আরও অন্যান্য পণ্যের প্রোডাকশনে যাওয়া উচিত। আমাদের কিন্তু সম্প্রতি র’ লেদার এক্সপোর্ট কমে গেছে। যার জন্য কিছু সমস্যাও আছে। কিছু পণ্যের রফতানি বাড়াতে হবে।
টিপু মুনশি বলেন, এবারের মেলায় সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় হলো- আমাদের দেশি পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। বায়াররা আমাদের পণ্যে আকৃষ্ট হচ্ছেন। এর ফলে আগামীতে আমাদের আমদানি কমে যাবে। এছাড়া রপ্তানিতে আমাদের পোশাক খাতের নির্ভরতা কমিয়ে অন্যান্য পণ্য রপ্তানি বাড়াতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি তোফায়েল আহমেদ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব এস এম রেজওয়ান হোসেন এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্টাচার্য। গত ৮ ফেব্রুয়ারি বাণিজ্য মেলা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ব্যবসায়ীদের অনুরোধে সময় একদিন বাড়ায় আয়োজনকারী কর্তৃপক্ষ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। এবারের মেলায় ১২ ক্যাটাগরিতে ৪২টি প্যাভিলিয়ন ও স্টলকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
