এসিসির সভাপতি হলেন পাপন

আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ২২:৫৫

চতুর্থ বাংলাদেশি হিসেবে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভাপতি হয়েছেন নাজমুল হাসান পাপন। গতকাল পাকিস্তানের লাহোরে শেষ হওয়া এসিসির বার্ষিক সভায় এই দায়িত্ব পান বিসিবি সভাপতি। আগামী দুই বছর এসিসি সভাপতি পদে বহাল থাকবেন নাজমুল হাসান পাপন।

সংস্থাটির সদস্য দেশগুলোর মধ্যে শুধু টেস্ট খেলুড়ে দেশ থেকেই মূলত রোটেশন পদ্ধতিতে মনোনয়ন দেয়া হয় সভাপতি। দেশগুলোর ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতিরাই পান এই মনোনয়ন। সেই পদ্ধতিতে এবার এসেছে বাংলাদেশের পালা। গতকাল এহসান মানির কাছ থেকে নতুন দায়িত্ব বুঝে পান নাজমুল হাসান পাপন।

১৯৮৩ সালে গঠন করা হয় এসিসি। ১৯৮৮ সালে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এসিসির সভাপতি হয়েছিলেন সাবেক বিসিবি সভাপতি আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। ২০০২-২০০৪ সালের দুই বছর মেয়াদে সংস্থাটির সভাপতি ছিলেন আলী আসগর লবী। এরপর ২০১০-১২ মেয়াদে বিসিবি ও আইসিসির সাবেক সভাপতি আহম মুস্তাফা কামাল এসিসির সভাপতি ছিলেন।

গত সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপ চলাকালীনই নাজমুল হাসান পাপনের এসিসি সভাপতি হওয়ার খবর চাউর হয়। গতকাল ৩৫তম বার্ষিক সভায় এই বুঝিয়ে দেয়া হয় বিসিবি সভাপতিকে। নতুন দায়িত্ব পেয়ে সম্মানিত নাজমুল হাসান পাপন। তিনি বলেছেন, ক্রিকেটকে এই অঞ্চলে আরো ছড়িয়ে দিতে চান। ক্রিকেট দুনিয়ায় এখন শক্তিশালী এশিয়া। যেখানে পাঁচটি টেস্ট খেলুড়ে দেশ ও দুটি ওয়ানডে স্ট্যাটাস পাওয়া দেশ রয়েছে। গত কয়েক বছর এসিসির সদস্য হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা দিয়ে সদস্য দেশগুলোকে নিয়ে সংস্থাটিকে নতুন উচ্চতায় নেয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন পাপন।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আফগানিস্তানকে এসিসির পূর্ণ সদস্য পদ দেয়া হয়। আইসিসির সিইও ডেভ রিচার্ডসন, ডেভেলপমেন্ট অফিসার আমিনুল ইসলাম বুলবুল সভায় যোগ দিয়েছিলেন। এক দশক পর এসিসির বার্ষিক সভা আয়োজিত হলো পাকিস্তানে। সভায় সদস্যদেরকে এসিসির ডেভেলপমেন্ট পরিকল্পনা, ২০১৭-১৮ সালে আয়োজন করা টুর্নামেন্ট সম্পর্কে অবহিত করা হয়। সেপ্টেম্বরে দুবাই, আবুধাবিতে হওয়া এশিয়া কাপের সফল আয়োজন নিয়েও প্রেজেন্টেশন ছিল।