শেরে বাংলার জন্মভিটা

আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:২৬

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া ইউনিয়নের নানাবাড়িতে জন্ম বাংলার বাঘ খ্যাত এ কে আবুল কাশেম ফজলুল হকের। অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং দূরদর্শিতা সুবিদিত। এলাকার ছেলেমেয়েদের শিক্ষার জন্য ১৯৪১ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন সাতুরিয়া এম এম উচ্চ বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয় এবং তাঁর জন্মগৃহ এখন অবহেলায় পড়ে আছে। শেরে বাংলার শৈশব ও কৈশোর কাটে এই গ্রামেই। ব্রিটিশ যুগের পাতলা ইট দিয়ে নির্মিত মহান এই নেতা যে ভবনে জন্ম নিয়েছিলেন, সেটির এখন জরাজীর্ণ অবস্থা। দেয়ালের কোথাও কোথাও খসে পড়ছে ইট। মহান নেতার স্মৃতি সংরক্ষণে বহুবার এই এলাকায় একটি জাদুঘর স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। সাতুরিয়ার যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নসহ শেরে বাংলার নামে একটি প্রথম শ্রেণির কলেজ, ডাক বাংলো ও জাদুঘর প্রতিষ্ঠার দাবি এলাকাবাসীর।

শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের জন্মভবনটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের আওতায় নেওয়ার ঘোষণার পর বহু বছর পার হলেও তা সংরক্ষণের কোনো উদ্যোগ নেই। শেরে বাংলার জন্মভবনে দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাস করছেন তাঁর নিকটাত্মীয় হোসনেয়ারা বেগম বুলু ও তাঁর পরিবার। তাঁরা জানান, ২০১৭ সালে শুধু শেরে বাংলার জন্মভবনটির ছাদ ছাড়া আর কোনো কিছুই সংস্কার করেনি প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর।

জাকির সিকদার, রাজাপুর, ঝালকাঠি