কোডেকের কর্মশালায় প্রদত্ত তথ্য
পটুয়াখালী প্রতিনিধি
উপকূলীয় অঞ্চলের ৫৩ ভাগ জমি প্রতিনিয়তই জোয়ারের লবণাক্ত পানিতে প্লাবিত হচ্ছে এবং বন্যার কারণে ফসলি জমিতে লবণাক্ততা বেড়ে চলেছে। ফলে কৃষকরা ব্যর্থ হচ্ছেন গুনগত মানসম্পন্ন পণ্য উত্পাদনে। বঞ্চিত হচ্ছেন পণ্য বাজারজাত করে ন্যায্য মূল্য পাওয়ার ক্ষেত্রেও। শুকনো মৌসুমে অতিমাত্রায় লবণাক্ততা কৃষকরা সমস্যায় পড়ছেন আগাম ফসল উত্পাদন করতে। তারা বঞ্চিত হচ্ছেন বারবার ফসল উত্পাদন করেও ভাল ফলন পাওয়া থেকে। এরফলে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকায়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং তারা ভুগছেন পুষ্টিহীনতায়।
পটুয়াখালীর কোডেক মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী ‘দি সল্ট সলিউশন প্রকল্প’ এর জেলা পর্যায়ের এক কর্মশালায় ইকো-কোঅপারেশন বাংলাদেশের প্রকল্প পরিচালক অরুন কুমার গাঙ্গুলী প্রকল্প সম্পর্কিত ধারণাপত্রে এই তথ্য উপস্থাপন করেন। সল্ট ফার্ম টেক্সেল নেদারল্যান্ডের কারিগরি সহায়তায় পটুয়াখালী, বরগুনা, খুলনা ও বাগেরহাট জেলার উপকূলীয় আটটি উপজেলায় পাঁচ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে তিন বছর মেয়াদি এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হচ্ছে উপকূলীয় অঞ্চলের ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রান্তিক চাষিদের লবণ সহিষ্ণু ফসলের সঙ্গে পরিচয় ঘটানো, প্রযুক্তিগত জ্ঞান বৃদ্ধি করা এবং গুণগত মানসম্পন্ন ফসল উত্পাদনে কারিগরি সহায়তা প্রদান করা যার মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির মান উন্নত হবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পটুয়াখালীর উপ-পরিচালক হূদয়েশ্বর দত্তের সভাপতিত্বে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক এটিএম সানা উল্লাহ হকের সঞ্চালনায় কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন ওএফআরডি’র পিএসও ড. মোঃ শহিদুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএআরঅই’র পিএসও ড. মো. ইদ্রিস আলী হাওলাদার প্রমুখ।
