পাট চাষে আশার আলো

আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৩৫

সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতা

একসময়ে দেশের শীর্ষ রফতানি পণ্য সোনালি আঁশ পাট চাষে দারুণ সফল হয়েছেন এক দম্পতি। অপেক্ষাকৃত কম শ্রমিক ব্যবহার করে নিজেরা স্বামী-স্ত্রী খেটে চার একর জমিতে পাট চাষে তুলনামূলক ভালো করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

সাটুরিয়া উপজেলার দিঘলীয়া ইউনিয়নের নাশুরপুর গ্রামের সুকুমার বিশ্বাস ও স্ত্রী সরশ্বতী বিশ্বাস। নিজের আবাদি জমি বেশি না থাকলেও বার্ষিক ১০০ টাকা শতাংশ হারে ভাড়া নিয়ে সফল পাটচাষি হয়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন তারা। ধলেশ্বরী নদীর চরাঞ্চল শালুয়াকান্দি-কৌড়ি এলাকায় গিয়ে দেখা যায় সুকুমারের পাট ও পাটকাঠির মজুত।

এ ব্যাপারে সুকুমার বিশ্বাস দৈনিক ইত্তেফাককে জানান, তাদের কৃষিজমি কম, তবে অন্যের জমি ভাড়া নিয়ে বরাবরই পাট চাষ করে থাকেন। এবার প্রায় চার একর জমিতে পাট আবাদ করেন, যার মধ্যে আড়াই একর জমিতে দেশীয় বীজ ও দেড় একর জমিতে তোষা জাতের বীজ । জমিতে তারা স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে আগাছা পরিষ্কার করে হাল দিয়েছেন। উত্পাদনে দারুণ খুশি তিনি। তার এ বছর পাটচাষে খরচ বাদে মোট লাভ ৩ লাখ টাকার বেশি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সোনালি এ আঁশ চাষে আশার আলো দেখছেন তিনি।

এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ জেলা পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান নোমান বলেন, সোনালী আঁশ পাটের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন সময় চাষিদের বিভিন্ন রকম প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে, বিনা মূল্যে সার বীজ দিয়ে থাকে। এ বছর মানিকগঞ্জ জেলার পাট উত্পাদন লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৩২ মণ। সুকুমার বিশ্বাসের সফলতার  বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।