মানিকগঞ্জ-সাটুরিয়া সড়কের খানাখন্দে ভরা ৭ কি.মি.

আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:৩৮

ভাঙাচোরা

সড়ক দিয়েই আমাকে কলেজে নিয়মিত যাতায়াত করতে হয়। প্রচণ্ড ঝাঁকুনিতে আমি রীতিমত অসুস্থ হয়ে পড়েছি

 শহিদুল ইসলাম সুজন, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

এলজিইডি’র আওতাধীন সাটুরিয়া-মানিকগঞ্জ সড়কের কান্দাপাড়া বাজার থেকে রাইল্লা পর্যন্ত প্রায় সাত কিলোমিটার অংশ খানাখন্দে ভরপুর হয়ে বর্তমানে চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। রাস্তাটির বেশিরভাগ জায়গায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সাটুরিয়া উপজেলা থেকে জেলা শহরে যাওয়ার জন্য বাস সার্ভিস না থাকায় অটোরিকশাই একমাত্র ভরসা। প্রতিদিন কয়েক হাজার যাত্রী এসব অটোরিকশায় চলাচল করে থাকে। কিন্তু রাস্তা ভাঙা থাকায় প্রচণ্ড ঝাঁকুনিতে চালক ও যাত্রীদের অবস্থা দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। গাড়ির যন্ত্রাংশ প্রায়শই নষ্ট হয়।

জেলা সদরের বাসিন্দা অটোরিকশা চালক মিহির বলেন, সাটুরিয়া-মানিকগঞ্জ সড়কের কান্দাপাড়া বাজার থেকে রাইল্লা পর্যন্ত পাকা সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়লেও কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। রাইল্লা গ্রামের আব্দুল খালেক বলেন, মানিকগঞ্জ জেলার সবচেয়ে বেশি সবজি উত্পাদনকারী এলাকা হচ্ছে জান্না, ফুকুরহাটি ও রাইল্লা। এ তিনটি গ্রামের উত্পাদিত ফসলসহ সবজি জেলা শহরসহ রাজধানীতে সরবরাহ করা হয়। এগুলো নিতে কৃষকদের অতিরিক্ত টাকা ও সময় ব্যয় করতে হচ্ছে। সাটুরিয়া সৈয়দ কালুশাহ ডিগ্রি কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক শামিম আরা বলেন, ‘আমি মানিকগঞ্জ থেকে সাটুরিয়ায় এসে কলেজ করি। এই ভাঙাচোরা সড়ক দিয়েই আমাকে কলেজে নিয়মিত যাতায়াত করতে হয়। প্রচণ্ড ঝাঁকুনিতে আমি রীতিমত অসুস্থ হয়ে পড়েছি।’ এছাড়া রাইল্লা পলিটেকনিক স্কুল, রাইল্লা আব্দুল মজিদ ফটো উচ্চ বিদ্যালয় ও রাইল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও এই রাস্তা দিয়েই চলাচল করে থাকে। অতিরিক্ত পণ্যবাহী ভারী ট্রাক চলাচলের কারণে সড়কটি দ্রুত ভেঙে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে গর্ভবতী মা, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ প্রত্যন্ত এলাকার সাধারণ মানুষকে। এ ব্যাপারে সাটুরিয়া উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আইয়ুব আলী জানান, সড়কটি সংস্কার করার জন্য প্রকল্পের অনুমোদন চেয়ে এলইজিডি ঢাকা দপ্তরে আবেদন পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি পাস হলেই দ্রুত কাজ শুরু হবে।