দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা এক মামলায় ‘ভূমি মন্ত্রণালয়ের পারসোনাল অফিসার’ কুতুব উদ্দিন আহমেদসহ দুই জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সম্প্রতি কমিশন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন যাচাই বাছাই করে এ চার্জশিটের অনুমোদ দেয়। শীঘ্রই এই মামলার চার্জশিট সংশ্লিষ্ট আদালতে দাখিল করা হবে। অনুমোদিত চার্জশিটে নাম থাকা অপর জন হলেন, ঢাকার রমনা থানা এলাকার মীরবাগের মোঃ নাজমুল ইসলাম। উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ জুন দুদকের উপ-পরিচালক মীর্জা জাহিদুল আলম বাদি হয়ে রাজধানীর গুলশান মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেছিলেন।
তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোঃ কুতুব উদ্দিন ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে নাজমুল ইসলাম সাঈদকে গুলশানের ২০/এ নম্বর রোডের ২০ নম্বর প্লটের ১০ কাঠা জমির মালিক সাজিয়ে ভুয়া নথিপত্র তৈরি করে। এরপর নাজমুল ইসলাম সাঈদের মাধ্যমে ভুয়া আমমোক্তার সাজিয়ে গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সাব-কবলা মূলে ওই জমি শ্বশুর ও অন্যদের নামে ক্রয় দেখিয়ে আত্মসাত্ করে। যদিও কুতুব উদ্দিনের শ্বশুর আব্দুল জলিল মৃধা কখনই ওই জমি ভোগদখল করেননি। মূলত শুরু থেকেই মোঃ কুতুব উদ্দিন এই জমি ভোগ দখল করে আসছেন। এবং বর্তমানে ওই জমিতে তিনি সপরিবারে বসবাসও করছেন।
অপরদিকে এই জমির কথিত আমমোক্তার নাজমুল ইসলাম সাঈদ রাজউকের সম্পত্তি জানা সত্ত্বেও মোঃ কুতুব উদ্দিনের সঙ্গে যোগসাজশে ভুয়া মালিক তথা ভুয়া আমমোক্তার বলে বিক্রেতা সেজে জমি বিক্রয় দেখিয়ে তা আত্মসাতে সহায়তা করেন এবং আর্থিকভাবে লাভবান হন। এছাড়া এই ভূমি আত্মসাত্ প্রক্রিয়ায় আসামি কুতুব উদ্দিন ওরফে ভূমি কুতুব-এর শ্বশুর সহযোগী হিসেবে জড়িত থাকেলেও তার শ্বশুর ইতোমধেই মৃত্যুবরণ করায় তাকে আইনের আওতায় আনার সুযোগ নেই।
