মূলত মেক্সিকো এবং মধ্য আমেরিকার স্থানীয় উদ্ভিদ। ফলটির খোসা কুমিরের গায়ের মতো অমসৃণ হওয়ায় এটি ‘কুমির নাশপাতি’ নামেও পরিচিত।
উত্তর আমেরিকাতে অ্যাভোকাডো থেকে তৈরি গোয়াক্যামোলি খুবই জনপ্রিয়। এছাড়া তৈরি হয় বিভিন্ন মুখরোচক খাবার। তার মধ্যে অ্যাভোকাডো আইসক্রিম, অ্যাভোকাডো চেরি টমেটো স্টাফিং, অ্যাভোকাডো স্মুদি, অ্যাভোকাডো সরবিট, অ্যাভোকাডো সুশি, অ্যাভোকাডো অ্যানসিলাদাস, অ্যাভোকাডো পাই, অ্যাভোকাডো কেক, অ্যাভোকাডো মিল্ক সেক, অ্যাভোকাডো টুনা স্কেইওয়্যার্স বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
অ্যাভোকাডো থেকে পাওয়া ক্যালরির প্রায় ৮০ ভাগই আসে চর্বি থেকে। তাই আপাতদৃষ্টিতে একে চর্বি সমৃদ্ধ খাবার বলে মনে হলেও এই চর্বি আমাদের শরীরের জন্য হিতকর। অ্যাভোকাডোতে তিন ধরনের চর্বি থাকে—ফাইটোস্টেরল, পলিহাইড্রওক্সিল্যাটেড ফ্যাটি অ্যালকোহল ও অলেইক অ্যাসিড। অ্যাভোকাডোতে মাত্রাধিক পটাশিয়াম থাকায় এটি হূিপণ্ড সবল ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড, ডাইটারি ফাইবার, তামা, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন কে এবং ভিটামিন সি-এর ভালো উত্স। ত্বকের পরিচর্যার জন্য মুখে অ্যাভোকাডোর পেস্টের প্রলেপ দেওয়ার রেওয়াজ আছে। অ্যাভোকাডোর খনিজদ্রব্য ও ভিটামিনসমূহ ত্বককে সতেজ ও মসৃণ রাখে। সালাদে অ্যাভোকাডো যোগ করলে পরিপাকনালিতে সালাদ থেকে নির্গত ক্যারোটিন জাতীয় এন্টিওক্সিডেন্টের শোষণ দ্বিগুণ থেকে চারগুণ বৃদ্ধি পায়। এই ক্যারোটিন প্রদাহবিরোধী হিসেবে কাজ করে।
তানভীর তানিম
