একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিবন্ধিত পর্যবেক্ষক সংস্থাকে সার্বিক পরিস্থিতি ব্রিফিং করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ২০ ডিসেম্বর নির্বাচন ভবনে নিবন্ধিত সংস্থাগুলোর সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ভোট পর্যবেক্ষণ করতে চাইলে আগামী ২১ নভেম্বরের মধ্যে পর্যবেক্ষকদের ইসিতে আবেদন করতে হবে। আর বিদেশি পর্যবেক্ষকরা পর্যবেক্ষণ করতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আবেদন যাচাই করে ভিসা প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবে।
ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ ইত্তেফাককে বলেন, দেশি পর্যবেক্ষকদের পর্যবেক্ষণে আবেদন আহবান করা হয়েছে। বিদেশি পর্যবেক্ষকদের জন্য আলাদা কোনো আবেদন আহবান করা হবে না। তবে সার্কভুক্ত ফেমবুসার সদস্য রাষ্ট্রের নির্বাচন কমিশনকে দুই থেকে তিনজন প্রতিনিধি পাঠানোর জন্য আমন্ত্রণ জানানো হবে। এর বাইরে বিদেশিরা কেউ চাইলে ইসিতে আবেদন করতে পারেন। সেই আবেদন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। তারপর ভিসাসহ সার্বিক বিষয়ে মন্ত্রণালয় সহযোগিতা করবে।
এদিকে, পর্যবেক্ষণে নিবন্ধিত ১১৮ স্থানীয় সংস্থাকে ২১ নভেম্বরের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) জানাতে হবে। ইসির জনসংযোগ পরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান এ তথ্য জানিয়ে বলেন, নিবন্ধিত পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো ২১ নভেম্বরের মধ্যে পর্যবেক্ষণের বিষয়ে আবেদন করতে হবে। কোথায়, কতজন নিয়োজিত থাকবেন তা আবেদনে উল্লেখ করতে হবে। নীতিমালা মেনে নির্ধারিত ফরমে এ সংক্রান্ত আবেদন করতে সংশ্লিষ্ট ১১৮টি সংস্থাকে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, ২০ নভেম্বর ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সংশ্লিষ্টদের এ বিষয়ে ব্রিফিং করবেন। সংস্থাগুলোকে বৈঠকে আসার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। দেশি-বিদেশি সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহে অনুমোদিত কার্ড সরবরাহ প্রক্রিয়াও ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে শুরু হবে। বিদেশি পর্যবেক্ষক সংস্থা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সহায়তা করবে। যদিও ইতোমধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন পর্যবেক্ষক সংস্থা পাঠাবে না বলে ইসিকে জানিয়েছে।
বর্তমানে ইসির ১১৮টি সংস্থা নিবন্ধিত রয়েছে। এরমধ্যে অতীতে দেড় যুগ ধরে পর্যবেক্ষণে থাকা ফেমা ও ব্রতী তালিকায় নেই। সম্প্র্রতি বাদ পড়েছে ‘অধিকার’ও।
