যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রথম প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে কোয়াড সম্মেলনের আয়োজন করবেন। এই সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট বাইডেন ছাড়া অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও জাপানের নেতারা অংশ নিচ্ছেন। চীনের ক্রমবর্ধমান দৃঢ় মনোভাবকে রুখে দেবার জন্য তারা সহযোগিতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। হোয়াইট হাউজের প্রেস সচিব জেন সাকি এক বিবৃতিতে জানান, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউজে এই শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এর সমালোচনা করেছে চীন।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা এই সম্মেলনে অংশ নেবেন। গত মার্চে এই চার দেশীয় নেতাদের একটি ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ঐ বৈঠকে তারা কোভিড-১৯ টিকা এবং জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার এবং বেইজিংয়ের চ্যালেঞ্জের মুখে মুক্ত ও খোলা ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগর নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন। সাকি বলেন, এই সম্মেলনের আয়োজন এটা প্রকাশ করে যে বাইডেন-হ্যারিস প্রশাসন ২১ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে নতুন বহুপাক্ষিক রূপরেখা ব্যবহারের মাধ্যমে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্ত থাকার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেন, কোনও তৃতীয় দেশকে লক্ষ্যবস্ত বানানো তাদের উচিত হবে না। তিনি বলেন, চীন বিশ্বাস করে কোনও আঞ্চলিক জোটের কাঠামো হওয়া উচিত সময়ের প্রেক্ষাপটের আলোকে এবং আঞ্চলিক দেশগুলোর পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহযোগিতাই এর ভিত্তি হবে। কোনও তৃতীয় দেশ বা তাদের স্বার্থের ক্ষতি করা তাদের উচিত নয়। -ভয়েস অব আমেরিকা ও হিন্দুস্তান টাইমস
