মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
মুন্সীগঞ্জের মেঘনা তীরের চিতলিয়ায় দুইটি সোনার দোকানে ডাকাতির রহস্য উদ্ঘাটন হয়েছে। গতকাল লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকার, ডাকাতির কাজে ব্যবহূত স্পিডবোট ও অস্ত্রসহ আট জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে রয়েছে সাত ডাকাত ও ডাকাতির মাল কেনা এক ব্যবসায়ী। এ সময় উদ্ধার করা হয়েছে ডাকাতির কাজে ব্যবহূত পিস্তল, পিস্তলের এক রাউন্ড গুলি, শটগানের চার রাউন্ড গুলি, একটি চাপাতি, ৬৯ ভরি স্বর্ণালংকার ও ১৫ হাজার টাকা। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের বন্দর থেকে জব্দ করা হয় ডাকাতির কাজে ব্যবহূত স্পিডবোট।
গ্রেফতারকৃতরা হলো—শরীয়তপুরের জাজিরা থানার সোনার দেউল গ্রামের মৃত মোসলেম পেদার পুত্র সাব্বির হোসেন, মাদারীপুরের শিবচর থানার চর চান্দা গ্রামের আরব আলী হাওলাদারের পুত্র আরিফ হাওলাদার, চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানার দুর্গাপুরের মৃত বাহর আলী প্রধানের পুত্র মোহাম্মদ আলী, শরীয়তপুরের নড়িয়া থানার রাজারিশ্বা গ্রামের জুলমত আলী মোল্লার পুত্র বিল্লাল মোল্লা, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ থানার উত্তর বিষ্ণুবন্দর গ্রামের মৃত অলি আহম্মেদ বেপারীর পুত্র আনোয়ার হোসেন, মাদারীপুরের শিবচর থানার আ. রব মিয়া খাঁর পুত্র ফারুক খাঁ ও শরীয়তপুরের নড়িয়া থানার পশ্চিম নওপাড়া গ্রামের মৃত আসমত কবিরাজের পুত্র আফজাল হোসেন। এছাড়া লুণ্ঠিত সোনা কেনার দায়ে শরীয়তপুরের ডামুড্যা থানার বাহেরচর গ্রামের ইদ্রিস বেপারীর পুত্র আক্তার হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। গতকাল মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান। পুলিশ সুপার জানান, ডাকাতির পরই অভিযানে নামে জেলা পুলিশ। জেলা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ যৌথ অভিযানে রবিবার দিনভর বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ডাকাতদের গ্রেফতার করা হয় । উল্লেখ্য, গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে মুন্সীগঞ্জের চিতলিয়া বাজারে দুইটি দোকান থেকে আনুমানিক ১০৭ ভরি সোনা ও ৩৫ লাখ টাকা লুটে নেয় ডাকাতরা।
