বিটকয়েনের লেনদেনের উপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে চীনের সরকার। মূল ভূখণ্ডের বিনিয়োগকারীদের ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনে বিদেশী আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ওই ঘটনার পরপরই দরপতন শুরু হয়েছে বিটকয়েনের। গত শুক্রবারে বৈশ্বিক বাজারে বিটকয়েনের দাম কমেছে পাঁচ শতাংশ। এর আগে বিটকয়েনের বাজার নিম্নমুখী হওয়ার ঘটনায় ক্রিপ্টোকারেন্সিটির বাজার মূল্য ৪.৬ শতাংশ কমে ৪২ হাজার আটশ’ ৭৪ ডলারে নেমে এসেছিলো। রয়টার্স জানিয়েছে, বিটকয়েনের পাশাপাশি মূল্য পতন ঘটেছে অন্যান্য ক্রিপ্টোকারেন্সিরও। ইথারের দাম কমেছে ৮ শতাংশ, এক্সআরপ্থির দাম কমেছে ৭ শতাংশ। সম্প্রতি বিভিন্ন আর্থিক ও ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানকে ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের সুযোগ না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে পিপল’স ব্যাংক অফ চায়না। এই ধরনের লেনদেন বন্ধে নজরদারি আরও বাড়ানোর কথা বলেছে চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ‘ক্রিপ্টো বাজারগুলো আসলে খুব নাজুক পরিস্থিতিতে আছে, এই ধরনের ধাক্কাগুলো তারই প্রমাণ; পুরো বিষয়টি নিয়ে অস্থিরতা বিরাজ করছে’—মন্তব্য করেছেন ক্রিপ্টোকারেন্সি বিষয়ক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইনিগমা সিকিউরিটিজের গবেষণা প্রধান জোসেফ এডওয়ার্ডস।
‘চীনের সব খাতেই ক্রিপ্টোকারেন্সি একটা ধূসর জায়গায় অবস্থান করছে’—যোগ করেন তিনি। অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও চাপের মুখে পড়েছে ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং ব্লকচেইন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো। শেয়ার বাজারে দর পতনের ভূক্তভোগী হয়েছে রায়ট ব্লকচেইন, ম্যারাথন ডিজিটাল এবং বিট ডিজিটালের মতো নিবন্ধিত মাইনার প্রতিষ্ঠান। চলতি বছরের শুরুতে ক্রিপ্টোকারেন্সির উপর কড়াকড়ি আরোপের ঘোষণা দিয়েছিলো চীনা কর্তৃপক্ষ। ওই ঘোষণা পর ব্যাপক পরিমাণ ডিজিটাল মুদ্রা বিক্রি করে দিয়েছিলেন দেশটির ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনকারীরা।
