শিশুদের পরোক্ষ ধূমপানের ঝুঁকি কমাতে হবে

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৩২

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী ধূমপানরত ব্যক্তির বিড়ি-সিগারেটের ধোঁয়া দ্বিতীয় ব্যক্তি গ্রহণ করলে সেটাকে ‘পরোক্ষ ধূমপান’ বলা হয়। প্রত্যক্ষ ধূমপানে যেমন সমস্যা হয়, তেমনিভাবে পরোক্ষ ধূমপানের ফলেও ফুসফুসের ক্যান্সার, হূদরোগ, শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা, স্ট্রোক, প্রজনন সমস্যা হতে পারে। আজকাল বাবা সিগারেট খাচ্ছে আর পাশে তার অবুঝ সন্তান—এ দৃশ্য মোটেও বিরল নয়। ঘরে অনেকে ধূমপান করেন। নিজের কারণে অন্যের ক্ষতি করা কখনো ঠিক নয়। গণপরিবহন, অফিস-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাট-বাজারে কখনো ধূমপান করা উচিত নয়। সিগারেটের ধোঁয়া সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে শিশুদেরই। কারণ তাদের ফুসফুস পরিণত হয়নি এখনো। তাই শিশুর জন্য সিগারেটের ধোঁয়া বড় হুমকির। আর শিশুর ফুসফুসটি ছোট্ট হলেও পরিণত ফুসফুসের চেয়ে সে অনেক বেশিবার বাতাস টেনে নেয়। তাই বাতাসের সঙ্গে ক্ষতিকর ধোঁয়াটাও শিশু ফুসফুসে ভরে ফেলে দ্রুত। সিগারেটের ধোঁয়া শিশুর ফুসফুসে নানা ধরনের সংক্রমণ করে। আর পরোক্ষ ধূমপানে শিশুর ব্রঙ্কাইটিস ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে খুব বেশি। শিশুর মৃত্যুও ডেকে আনতে পারে। তাই এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। সবাই নিজের নিজের অবস্থান থেকে চেষ্টা করলেই পরোক্ষ ধূমপান রোধ করা সম্ভব।

হূদয় কুমার মিত্র

শিক্ষার্থী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা