প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে দেওয়া হবে ৮০ লাখ করোনার টিকা :স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:১৭

আগামীকাল মঙ্গলবার বিশেষ কার্যক্রমের মাধ্যমে ৮০ লাখ ব্যক্তিকে করোনা ভাইরাসের টিকা দেওয়া হবে। সারা দেশের সব ইউনিয়ন, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা এলাকায় এই টিকা দেওয়া হবে। যারা ইতিমধ্যে টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন তারাই এই কার্যক্রমে প্রাধান্য পাবে। গতকাল রবিবার দুপুরে অনলাইনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষ্যে এই বিশেষ টিকা কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে বলে মন্ত্রী জানান। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ২৮ তারিখ সকাল ৯টা থেকে বিশেষ টিকা কার্যক্রম শুরু হবে। যারা গ্রামে থাকে, দরিদ্র জনগোষ্ঠী, বয়স্ক তারা এই কার্যক্রমে টিকা নিতে পারবে। যারা নিবন্ধন করে খুদে বার্তা পাননি, তারা এই কার্যক্রমে অগ্রাধিকার পাবেন। এই কার্যক্রমে শুধু প্রথম  ডোজের টিকা দেওয়া হবে। কার্যক্রমে অধিকাংশ টিকা দেওয়া হবে সিনোফার্মের। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এখন                 পর্যন্ত সাড়ে ৫ কোটি ডোজ টিকা হাতে পাওয়া গেছে। এর মধ্যে দেওয়া হয়েছে ৪ কোটি ডোজ। হাতে রয়েছে দেড় কোটি ডোজ টিকা। গর্ভবতী নারী ও দুগ্ধ দানকারী মায়েরা এই কার্যক্রমে টিকা পাবেন না। ইউনিয়ন, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা এলাকায় ৬ হাজারের বেশি কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে। টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে এক দিনে ৮০ লাখ মানুষের টিকা প্রাপ্তির লক্ষ্য পূরণ করতে দেশের ৪ হাজার ইউনিয়ন পরিষদ, ১ হাজার ৫৪টি পৌরসভা, ৪৪৩টি সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ডে টিকা দিতে ৩২ হাজার ৪০৬ জন সরকারি ও ৪৮ হাজার ৫৯ জন স্বেচ্ছাসেবীসহ প্রায় ৮০ হাজার কর্মীর টিকাদানের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এই টিকাদান কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি ইউনিয়নে তিনটি বুথ, পৌরসভায় একটি করে এবং সিটি করপোরেশনে তিনটি করে বুথ করা হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ মিডিয়া কর্মীদের নিকট বিশেষ সহযোগিতার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, টিকা নিবন্ধন কার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে আসলেও টিকা নেওয়া যাবে। এক প্রশ্নের জবাবে জাহিদ মালেক বলেন, টিকা পেতে যে কেন্দ্রে নিবন্ধন করেছেন,  সেই কেন্দ্রেই টিকা নিতে হবে। ২৮ সেপ্টেম্বরের আগেই টিকার জন্য মোবাইলে বার্তা চলে যাবে। এর আগে গণটিকায় ৪৫ লাখ টিকা দেওয়া হয়েছিল, এবার আরো বড় পরিসরে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে যুক্ত ছিলেন।