জাতীয় উত্পাদনশীলতা দিবস আজ

আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০২১, ২২:৪৩

 ‘অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় উত্পাদনশীলতা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ ২ অক্টোবর জাতীয় উত্পাদনশীলতা দিবস পালন করা হবে। এ লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে। দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার বাণীতে উল্লেখ করেন, একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উত্পাদনশীলতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। টেকসই উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধির জন্য উত্পাদনশীলতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মাহেন্দ্রক্ষণে বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় উত্পাদনশীলতা দিবস উদ্যাপনের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের নিকট উত্পাদনশীলতার গুরুত্ব যথাযথভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলে আমার বিশ্বাস।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে উল্লেখ করেছেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশকে শিল্পোন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। শিল্প খাতকে শক্তিশালী করতে স্বাধীনতার পর তিনি বৃহত্ শিল্প কারখানাগুলোর বেশির ভাগ জাতীয়করণ করেছিলেন। জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে আওয়ামী লীগ সরকার শিল্প খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, যথাযথ সুরক্ষার মাধ্যমে বিদ্যমান শিল্পের উত্পাদন ক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং রপ্তানিমুখী শিল্পের বহুমুখী প্রসারপূর্বক আরো অধিক প্রতিযোগিতা সক্ষম করতে কাজ করে যাচ্ছে। এশিয়ান প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশনের (এপিও) সহযোগিতায় ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি মাস্টার প্লান ২০২১-২০৩০’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উত্পাদনশীলতার প্রবৃদ্ধি ৩ দশমকি ৮ শতাংশ থেকে ৫ দশমিক ৬ শতাংশে উন্নীত হবে, যা অর্থনৈতিক উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।