ঠাকুর বিলের অপরূপ সৌন্দর্য

আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২১, ১০:২৫

বর্ষার শুরু থেকেই বাড়ন্ত কিশোরীর মতো দর্শনার্থীদের নজর কাড়ে। বিলের দু’ধার সবুজ হয়ে ওঠে কলমিলতা আর সুদীর্ঘ দূর্বাঘাসে। কস্তুরি ফুলের বেগুনি আভায় আর শাপলা ফুলের ছড়ানো লতায় ছেয়ে যায় পুরো বিল। 

গলা জলে ডুবে থাকা আমন ধানের শীর্ষ বাতাসে দুলতে দুলতে সাদা আর লাল শাপলা ফুলের সঙ্গে গড়ে তোলে গভীর মিতালি। দুপুরে তপ্ত রোদে স্বচ্ছ পানিতে খেলা করে পুঁটি মাছের ঝাঁক। পদ্ম, কলমি, কস্তুরি কিংবা শাপলা ফুলও ঝলসানো রোদে মূর্ছা যায়, তখন শালুকের নেশায় দুরন্ত কিশোর-কিশোরীরা বুক-জলে টুপ করে ডুব দিয়ে এক কোচলা শালুক তুলে চোখ লাল করে ঘরে ফেরে। দুপুর পেরুতে না পেরুতেই ছুটে চলে ঝাঁকে ঝাঁকে ছোট মাঝারি ডিঙি নৌকা। 

নৌকাবাইচ মাঝে মাঝে বিলের সৌন্দর্য বহুগুণে বাড়িয়ে তোলে। সাঁঝের আগে সূর্যের লাল আভা বিলের পানিতে অপরূপ ছবি তৈরি করে। গ্রীষ্মে ঠাকুর বিলের জল শুকিয়ে গেলে তখন বিল চেনা দায় হয়ে পড়ে!

ইত্তেফাক/কেকে