বঙ্গবন্ধুর নামে হবে কর্ণফুলীর টানেল ---------- কাদের

আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২২:৩২

কর্ণফুলী নদীর তলদেশে ট্যানেল নির্মাণ করা হচ্ছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে এই টানেলের নামকরণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি টানেল বোরিং মেশিন চালুর মাধ্যমে এর খনন কাজের উদ্বোধন করবেন। ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। এখন পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৩২ ভাগ।

গতকাল সোমবার দুপুরে রাজধানীর বনানীস্থ সেতু ভবনে টানেল নির্মাণ প্রকল্পের নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মধ্যে এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সিকিউরিটি সাপোর্ট ইউনিট কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ প্রকল্প এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা দিবে এবং চুক্তির মেয়াদ হবে ৪ বছর। কর্ণফুলী টানেল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের   নামে নামকরণের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে।

প্রায় ৬৫ কোটি টাকার চুক্তিপত্রে বংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষে প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদাউস এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষে নেভাল অপারেশনস এর পরিচালক এবং সেফটি এন্ড সিকিউরিটি সুপারভিশন কনসালটেন্টের প্রধান সমন্বয়ক কমোডর মাহমুদুল মালেক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পটি ৯ হাজার আটশত আশি কোটি চল্লিশ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। যার মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের অর্থ সহায়তা তিন হাজার নয়শ’ সাতষট্টি কোটি একুশ লক্ষ টাকা এবং চীন সরকারের আর্থিক সহায়তা ৫ হাজার নয়শ’ তের কোটি ঊনিশ লক্ষ টাকা। ২টি টিউব সম্বলিত মূল টানেলটির দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৪ কিলোমিটার এবং টানেলের পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক এবং ৭২৭ মিটার ওভার ব্রিজসহ এই টানেলটি চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলাকে শহরাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম শহরকে বাইপাস করে সরাসরি কক্সবাজারের সঙ্গে সহজ যোগাযোগ স্থাপিত হবে। ফলে চট্টগ্রাম শহরের যানজট কমাসহ ভ্রমণ সময় উল্লেখযোগ্যহারে হ্রাস পাবে। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সেতু বিভাগের সিনিয়র সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান ভাইস এডমিরাল আওরঙ্গজেব চৌধুরীসহ বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ও নৌবাহিনীর অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

ভবিষ্যতে সংরক্ষিত নারী আসন কমানো হবে

এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ভবিষ্যতে সংরক্ষিত নারী আসন সংখ্যা বাড়ানো নয়, কমানোর বিষয়ে ভাবা হবে। নারীরা এখন অনেক এগিয়েছে। সাধারণ আসনে নারীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই এগিয়ে যাবে। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে উপজেলা পরিষদ পর্যন্ত সব নির্বাচনেই সাধারণ আসনে নারীদের মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক নারী সাধারণ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হয়েছেন।