স্পোর্টস রিপোর্টার
ভারতে ফেব্রুয়ারিতে এশিয়ান কাপ ফুটবলের খেলা রয়েছে। সেই প্রস্তুতি হিসেবে পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে মালদ্বীপে গিয়েছে। ভারতীয় খেলোয়াড়রা মালদ্বীপে গেছেন সেখানে যোগ দিয়েছেন ক্রোয়েশিয়ান কোচ ইগর ষ্টিমাচ। সংবাদ সম্মলনে কোচ জানিয়েছেন খেলোয়াড়দের ওপর তার আস্থা আছে। ম্যাচ জিতবে এবং চ্যাম্পিয়ন হতে এসেছেন কোচ। যেটি এশিয়ান কাপের ফেইস থ্রি পর্বে কাজে আসবে।
সংবাদ সম্মেলনে আসেননি ভারতীয় অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী। ক্রোয়েশিয়ান কোচ ইগর ষ্টিমাচের সঙ্গে যাকে কথা বলতে সংবাদ সম্মেলনে পাঠানো হয়েছিল তিনি ঢুকতে পারেননি নিয়মবহির্ভূত পোশাক পরিধানের কারণে। ম্যাচ নিয়ে পুরো ফোকাস সুনীলের। কীভাবে বাংলাদেশকে হারিয়ে সূচনা করা যায় তা নিয়ে ভাবছেন সুনীল। গত ৭ জুন দোহায় বিশ্বকাপ বাছাইয়ে সুনীলের জোড়া গোলে ভারত হারিয়েছিল বাংলাদেশকে। সুনীল এমন একজন ফুটবলার, যিনি যে কোনো মুহূর্তে ম্যাচের চিত্রটাই বদলে দিতে পারেন। সুনীলকে থামিয়ে রাখতে রক্ষণভাগে তপু বর্মণদের পরিকল্পনা রয়েছে। শক্ত জালে বেঁধে রাখার ছক করে দিয়েছেন কোচ ব্রুজন। তার পরও সেই সব দর্শকের বিশ্বাস নেই যারা সুনীলের আগুন ঝরা সেটপিস দেখেছেন। তার ওপর বাংলাদেশের রক্ষণভাগের অলিগলি পথটা মুখস্ত সুনীলের। খেলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এক সেকেন্ডও সুনীলকে বিশ্বাস করা ঠিক হবে না সেটা জানেন বাংলাদেশের ফুটবলাররা। ২০১৩ সালে সাফে ৮২ মিনিটে গোল হজম করে পিছিয়ে ছিল ভারত। শেষ বাঁশি বাজার আগ মুহূর্তে সেটপিস গোল করে ম্যাচ বাঁচিয়ে মামুনুল ইসলাম, আতিকুর রহমান মিশুদের বিদায়ের পথটা দেখিয়ে দিয়েছিলেন। গত জুনের ম্যাচে সুনীলকে কেউ থামাতেই পারেননি। এবার যেন সেরকম কিছু না হয় তা নিয়েই ভাবনা বাংলার ফুটবলারদের। ২০১৯ সালে কলকাতার সল্টলেকে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে সাদ উদ্দিনের গোলে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে ম্যাচটা ড্র হলেও প্রায় ৮০ হাজার দর্শকের সামনে বাংলাদেশের ফুটবলারদের নৈপুণ্য মুগ্ধ করেছিল। সেরকম একটি খেলা উপহার দিতে চান ইনজুরি কাটিয়ে আবার জাতীয় দলে ফেরা সাদ উদ্দিন। সাফে বাংলাদেশের বিপক্ষে সুনীলের গোল আছে ৫টা। আন্তর্জাতিক ফুটবলে সুনীলের গোল ৭৫। ভারতীয়রা হিসাব করছেন আর তিন গোল করলে সুনীল পেলেকে (৭৭ গোল) ছাড়িয়ে যাবেন।
