কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার নয়ারহাট ইউনিয়নে বেড়েছে চুরি, অবিচার, জোরপূর্বক বিবাহ, ক্ষমতার অপব্যবহার ইত্যাদি। পাঁচ বছর আগেও এখানে মানুষের মধ্যে দেখা যেত কী মিল-বন্ধন! এখন দিন যত যাচ্ছে, ততই মানুষ লোভী আর নিষ্ঠুর হচ্ছে! গত দু বছর আগেও কখনো শুনিনি এই গ্রামে চুরি হয়। এখন ঘরের বাইরে কোনো জিনিস রাখা নিরাপদ নয়। ইদানীং দেখা দিয়েছে ক্ষমতা নিয়ে দ্বন্দ্ব। কার বেশি ক্ষমতা তা প্রদর্শন করা বোধহয় নিত্যকার ঘটনা হয়ে উঠছে। এখন পারস্পরিক সৌহার্দ্য ক্রমেই কমে যাচ্ছে। আবার দেখা যাচ্ছে দল নিয়ে রেষারেষি! এখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল গ্রামে ঢুকে নিজেদের মধ্যেই কলহের সৃষ্টি করছে, যা সম্প্রীতির জন্য মোটেই কাম্য নয়। আগের দিনে ঝগড়া-বিবাদ হলে গ্রাম্য সালিস হতো, নির্ভুল বিচারের মাধ্যমেই সমাধান হতো। ন্যায়বিচার সবাই সমানভাবে পেত। এখন অনেক বিচারই হচ্ছে—ন্যায়বিচার পাওয়া দুরাশা। আইনের দ্বারস্থ হয়েও লাভ নেই। উলটো নিজেকেই খেসারত দিতে হয়। আবার এই গ্রামে জোরপূর্বক বিবাহের হারও বেড়েছে। এখানে ভুক্তভোগী হচ্ছে গরিব পরিবার। গরিব পরিবারের ছেলে এবং মেয়ে দুজনেই এর শিকার। এসব থেকে গ্রামকে রক্ষা করতে হলে প্রয়োজন আইনের সুশাসন। মানবতাপ্রেমি সংগঠন।
হোসাইন আল-নাহিদ
নয়ারহাট, চিলমারী, কুড়িগ্রাম
