ইউএনও-এসিল্যান্ড নেই, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০২১, ২১:১৯

পটুয়াখালীর বাউফলে প্রায় ২ মাস ধরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) পদ দুটি শূন্য পরে আছে। এ অবস্থায় ব্যাহত হচ্ছে দাফতরিক কাজকর্ম। ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় নির্বাহী অফিসার ছিলেন জাকির হোসেন। তিনি পদোন্নতি পেয়ে গত ৭ সেপ্টেম্বর কর্মস্থল থেকে বিদায় নেন। তার বিদায়ের পর এখানে কাউকে নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ইউএনও না থাকায় ১৫টি ইউনিয়ন পরিষদের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনসহ উপজেলা পরিষদের নানা দাপ্তরিক কাজ স্থবির হয়ে আছে। ফলে অসংখ্য মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয়রা জানান, ইউএনও না থাকায় পার্শ্ববর্তী দশমিনার ইউএনওকে এ উপজেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি সপ্তাহে তিন দিন এখানে অফিস করেন। কিন্তু অর্থ সংক্রান্ত কোনো ফাইলপত্রে স্বাক্ষর করেন না। এর ফলে উপজেলা পরিষদের কাজকর্ম, ঠিকাদারি ফাইলপত্রে স্বাক্ষর ও প্রশাসনিক নানা কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

অপর দিকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনিসুর রহমান বালী গত ১২ জুলাই এখান থেকে বদলি হয়ে যান। তার পরিবর্তে এখন পর্যন্ত এখানে কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এর ফলে ওই অফিসের মিউটিশন, নামজারি, দাখিলা ও মিসকেচ বন্ধ রয়েছে। প্রায় ২ মাস ধরে নামজারি না হওয়ায় সাবরেজিষ্ট্রি অফিসে দলিল রেজিস্ট্রেশনের সংখ্যাও কমে গেছে। ফলে সরকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষ জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে কোন কাজকর্ম করতে না পেরে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।    

সংশ্লিষ্ট অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ অফিসে পুরাতন পাঁচশ ও নতুন তিনশ নামজারির আবেদ জমা হয়ে আছে। সহকারী কমিশনারের অভাবে তা নিষ্পত্তি করা যাচ্ছেনা। ভুক্তভোগীরা এই সমস্যা নিরসনে দ্রুত ইউএনও এবং এ্যাসিল্যান্ড নিয়োগ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছেন।

ইত্তেফাক/ইআ