প্রতারক চক্রের ফাঁদে পড়ে অর্থ আত্মসাতের এক মামলায় কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের নওদাবস গ্রামের দিনমজুর বিধবা ফুলমনি রানী, রণজিত্ কুমার, প্রভাস চন্দ্র, কমল চন্দ্র রায় ও নিখিল চন্দ্র বর্মনকে এক বছরের জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট। এ-সংক্রান্ত জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর দ্বৈত বেঞ্চ গতকাল বুধবার এই আদেশ দেয়। আদালত বলেছে, লুটপাটকারীদের পরিবর্তে সাধারণ কৃষকদের কেন ফাঁসানো হলো?
জানা গেছে, গত ১ জুলাই গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের একটি ভুয়া অ্যাডভাইস দাখিলের মাধ্যমে জালিয়াতি করে সোনালী ব্যাংক থেকে ২ কোটি ৪৬ লাখ ৯ হাজার ৯৬০ টাকা তুলে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে ৯ জনের নামে মামলা হয়। সেই মামলায় এই পাঁচ দিনমজুরকে নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ঐ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন তাদের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। শুনানিতে তিনি বলেন, এরা সবাই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দরিদ্র মানুষ। তাদের বাড়ি কুড়িগ্রামে। তাদের করোনার প্রণোদনা দেওয়ার কথা বলে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। এভাবে তাদের ফাঁসানো হয়েছে। আদালত বলেছে, এরা কত দিন জেলে আছেন? আইনজীবী বলেন, ৩ জুলাই থেকে জেলে আছেন। তাদের কোনো অবলম্বন নেই। জামিনের বিরোধিতা করে বক্তব্য রাখেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাসগুপ্ত। শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট জামিন মঞ্জুরের আদেশ দেয়।
