নিরাপত্তার নামে হয়রানি!

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০২১, ২১:৫৮

যেখানেই যাই চেকিংয়ের নামে হয়রানির শিকার না হয়ে আসা যায় না। এ যেন আমার দেশে আমিই ভীনদেশি, যেখানে ক্ষণে ক্ষণে নিজের স্বচ্ছতার প্রমাণ দিতে হয়। টেকনাফ থেকে চট্টগ্রাম আসার পথে অন্তত দশবার চেক করা হয় আর্মি, বিজিবি আর পুলিশ দ্বারা। নিরাপত্তার জন্য এই কাজ করা হলেও, বৃহত্ পরিসরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জনগণ। মাদকের চোরাচালান থামাতে যে আয়োজন, তা নিমিষেই গুঁড়িয়ে দিচ্ছে সীমান্তের অনিয়ম। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কঠোর অবস্থানই পারে দুই দেশের অভ্যন্তরীণ মাদক পাচার কার্যক্রম রুখে দিতে। অথচ আমাদের দেশে এলএসডির মতো মাদকও ছড়িয়ে পড়ছে সর্বত্র। রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির এবং নাফ নদী সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত জিরো পয়েন্ট, যার সীমানা প্রায় পাঁচ মাইল। এই স্থানে নিরাপত্তা কঠোর করা গেলে দেশে মাদকের চোরাচালান অনেকটা আটকানো সম্ভব। তবে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারদের আরো কর্তব্যপরায়ণ হতে হবে।

সৈয়দ মো. জাহেদুল ইসলাম

শিক্ষার্থী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়