ই-কমার্স কেনাকাটায় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ইভ্যালি, ধামাকা, ই-অরেঞ্জ, বুমবুম, কিউকম, এসপিসি প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানের প্রতারণা আমাদের অজানা নয়। এক্ষেত্রে সতর্কতাই কি যথেষ্ট? এ ব্যাপারে টেলিফোন ও ই-মেইলে প্রাপ্ত পাঠকদের অভিমত আজ প্রকাশিত হলো
ই-কমার্সের তুমুল জনপ্রিয়তা ও উপযোগিতাকে পুঁজি করে অনলাইনভিত্তিক এই ব্যবসায়ের পরিধি প্রসারিত হলেও নানা ধরনের প্রতারণায় দেশে এর গ্রহণযোগ্যতা এখন প্রশ্নবিদ্ধ। প্রচলিত আইনের ফাঁকফোকরের সুযোগে লোভনীয় সব অফারে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে অনেক প্রতিষ্ঠান। এভাবেই গ্রাহক হয়রানির পরিসংখ্যান ক্রমশ লম্বা হচ্ছে। এক্ষেত্রে প্রতারিত হতে না চাইলে গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের যেমন বিকল্প নেই, তেমনি উদ্যোক্তা সৃষ্টি, বেকারত্ব নিরসন এবং অর্থনৈতিক খাতে প্রচুর সম্ভাবনাময় ই-কমার্স ব্যবসায় সরকারের বিশেষ গুরুত্বের দাবি রাখে।
আবু ফারুক
বনরুপা পাড়া, বান্দরবান
আত্মপ্রবঞ্চনা কিংবা অন্যকে ধোঁকা দেওয়ার স্বভাব আমাদের মজ্জাগত। দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ই-কমার্স সাইটের সেবামান কিংবা ব্যাবসায়িক কার্যক্রম যাচাই-বাছাই ব্যতিরেকে আবেগের আতিশয্যে প্রয়োজন-অপ্রয়োজন নির্বিশেষে আমরা পণ্য কিনি বেশুমার। তাই, ক্রেতা হিসেবে এখানে আমাদের দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। ই-কমার্সের নামে ধোঁকাবাজি শনাক্ত-পরবর্তী উপশম চেষ্টার চেয়ে বরং শুরুতেই এর বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ চেষ্টা গড়ে তোলাই ছিল কাঙ্ক্ষিত। দেশে বিদ্যমান ই-কমার্স সেক্টরের আমূল সংস্কার সাধনপূর্বক অনলাইনভিত্তিক এ সেবা খাতটিকে ঢেলে সাজানোর লক্ষ্যে বাস্তব ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ সময়ের সংগত দাবি।
ওয়ারেছ আলী খান
সদর, রংপুর
রাজধানী ঢাকায় ই-কমার্স—ধামাকা, ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেড, এবি ব্যাংকসহ বিভিন্ন নামে এনজিও সমিতির ফাঁদ খুলে সহজ সরল গ্রাহকদের সেবা দেবার নামে প্রতিশ্রুতি দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে প্রতারক চক্র। শুধু ঢাকা নয় সারা দেশে এই প্রতারক চক্র এনজিও সমিতির ফাঁদ পেতে অফিস খুলে পণ্যসামগ্রী সরবরাহ, স্বল্পসুদে অর্থঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সহজসরল মানুষের জমানো টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হচ্ছে রাতারাতি। এসব অবৈধ প্রতারক চক্রের সঙ্গে অর্থ লেনদেন করলে একপর্যায়ে ঠকতেই হবে।
ফারুক আহমেদ
বাগমারা, রাজশাহী
প্রতিদিনই ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের প্রতারণার খবর আমরা পাচ্ছি। বিভিন্নভাবে প্রতারণার জাল তারা বুনেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রতারণা করা হয়েছে অভিনব পন্থায়—যেমন : সহজ লাইফ, লাইভলি এবং বিডি লাইভ। কয়েকটি প্রতারক ই-কমার্স কোম্পানির পতনের পর লাখ লাখ মানুষ তাদের বিপুল অঙ্কের অর্থ হারিয়েছেন। আমাদের প্রত্যাশায় যে সমস্ত গ্রাহক তাদের অর্থ বিনিয়োগ করেছেন, তাদের অর্থ ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।
মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)
আরাপপুর, ঝিনাইদহ
ই-কমার্স সবার সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। অনলাইনে বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলে গ্রাহকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। প্রতারক যে দলেরই হোক তাদের ধরিয়ে দিতে হবে এবং সুষ্ঠু বিচারের আওতায় আনতে হবে।
প্রহরী মনিরুজ্জামান
ত্রিশাল, ময়মনসিংহ
বৈশ্বিক মহামারিতে ই-কমার্সের সেবা বেড়েছে। আর এ সুযোগে ই-কমার্সের প্রতারণার ফাঁদ পেতেছে কিছু প্রতিষ্ঠান। গজিয়ে উঠেছে ভুঁইফোঁড় কিছু প্রতিষ্ঠান। আমাদের প্রত্যাশা, ই-কমার্সের নামে প্রতারণা বন্ধ হোক। পাশাপাশি সুন্দর ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে যথাযথভাবে ই-কমার্স এগিয়ে যাক।
আনিসুর রহমান/বিউটি
ফুলতলা, খুলনা
ই-কমার্সের প্রতারণার ফাঁদে পড়েছে লাখ লাখ গ্রাহক। মন ভুলানো রমরমা চটকদার বিজ্ঞাপনের লোভনীয় অফারের মাধ্যমে মানুষ আজ নিঃস্ব। এদের জন্য কঠিন আইনের ব্যবস্থা ও দোষী ব্যক্তিদের শাস্তির ব্যবস্থা করা।
বজলুল করিম
ধানমন্ডি, ঢাকা
ই-কর্মাসের প্রতারণার ফাঁদে পড়ে আমাদের দেশের সাধারণ জনগণ যে সর্বস্বান্ত হচ্ছে। এ জন্য আমাদের নিজেদেরকেই সতর্কতা অবলম্বন করে চলতে হবে। শুধু বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কেন সব পর্যায়ের পণ্য কেনাকাটার ক্ষেত্রে সরকারিভাবে বিশেষ প্রচারণার ব্যবস্থা নেওয়া একান্ত প্রয়োজন।
আলহাজ মো. হাফিজুল ইসলাম চৌ. (হিফজু)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ই-কর্মাসে কেনাকাটায় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ই-কর্মাস সেলকে আরো শক্তিশালী করার বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীসহ চার জন মন্ত্রী ই-কর্মাস পরিস্থিতি নিয়ে রুদ্ধদার বৈঠক শেষে নতুন ই-কর্মাস আইন প্রণয়নের ঘোষণা দিয়েছেন।
মো. শহীদুল ইসলাম রয়েল
বগুড়া
আমরা বাঙালিরা যেখানেই একটু লাভ আছে, সেখানেই দৌড় দেই—বিষয়টি এমন। আর সেখানে পা রেখে অর্থাত্ ফসকে গিয়ে পড়ে যাই। এগুলো আমাদের অজানা নয় এটা সত্যি। তারপরেও আমরা যাই।
তাই সময় এসেছে এসব প্রতারণা-বাণিজ্য থেকে সচেতন হয়ে অতি শিগিগরই এ ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।
অ্যাডভোকেট এস কে মো. রমিজউদ্দিন
পুরানা পল্টন, ঢাকা
ই-কর্মাস প্ল্যাটফরম যাত্রা করে অনেকগুলো কেনাকাটার নামে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ইভ্যালি, ধামাকা, ই-অরেঞ্জ, বুমবুম, কিউকম, এসপিসি প্রভৃতি প্রতিষ্ঠান। সত্যিকার অর্থে এসব প্রতিষ্ঠান প্রথমে তিন মাস গ্রাহকদের অর্থ পরিশোধ করে এবং লেনদেন বেশ চমত্কারভাবে করে থাকে। এরপর থেকে শুরু হয় নানা অজুহাত এবং গড়িমসি। তারপর সরে যাওয়ার পাঁয়তারা। শেষে হয়ে যায় লাপাত্তা। তাই আমরা মনে করি বিদ্যমান বাস্তবতায় ই-কর্মাসের নামে অর্থ লেনদেনের ব্যাপারে সবাই সতর্ক থাকবেন—এটাই কাম্য।
রাসেল আহমেদ
মুগদা, ঢাকা
ই-কর্মাস পরিচালনায় নীতিমালা থাকলেও নেই এর যথার্থ প্রয়োগ। আর এ সুযোগে যে যেভাবে পারছে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের কাজে মেতে উঠছে।
মো. রবিউল হোসেন রবি
মিরপুর, ঢাকা
যেহেতু সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে এরা ব্যবসা করেছে, সেহেতু ক্রেতাসাধারণ তাদের প্রতি আস্থা রেখেছে। তাই ই-কমার্সের নামে প্রতারণা করা হলে তার দায় তারাও এড়াতে পারে না। এর আগে মাল্টিলেভেল ব্যবসার নামে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা হয়েছে। সরকার যথাসময়ে পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এখন কেউ দায়িত্ব নিতে চাইছেন না। এমনকি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছেন। যারা ব্যবসার নামে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন, কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন, তাদের আইনের আওতায় আনতেই হবে।
মেনহাজুল ইসলাম তারেক
পার্বতীপুর, দিনাজপুর
করোনাকালে ই-কমার্সের ভূমিকা সময়োপযোগী। তবে অগ্রসর দেশগুলোতে ই-কমার্স অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখলেও বাংলাদেশে ঘটছে বিপরীত ঘটনা। সস্তায় মোটরসাইকেল, গাড়ি, ল্যাপটপ, ফ্রিজসহ বিভিন্ন পণ্য কিনতে তরুণ সমাজ জড়িয়ে পড়ছে ই-কমার্সের পাতা ফাঁদে। ভবিষ্যতে যাতে আর এ ধরনের প্রতারণার ঘটনা না ঘটে, এ জন্য সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে এই ই-কমার্স খাতে দৃষ্টি রাখতে হবে।
আবদুর রহমান জামী
শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
প্রবাদ আছে, সস্তার তিন অবস্থা এবং চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে। সাম্প্রতিক সময়ে ই-ভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, ধামাকা, বুমবুম, কিউকম, এসপিসি প্রভৃতির মতো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতারণার বিস্তর অভিযোগ উঠেছে। এরা শত শত কোটি টাকা প্রতারণার মাধ্যমে সরিয়ে নিয়েছে। এর আগে ভিন্ন কৌশলে যুবকের মতোই প্রতারণা এবং জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে ডেসটিনি নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, একটা পর্যায়ে গ্রাহক ঠকানো এ ধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর বা বিভাগ থেকে কিছু উপদেশবাণী প্রচার করা হয়; কিন্তু সেসব প্রতিষ্ঠান দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত কেউই তাদের বিনিয়োগ করা অর্থ ফেরত পায় না। এখানে আইন প্রয়োগ হয় ঠিকই, তবে সেটা যথা সময়ে নয়। অনেক দেরিতে। এখানে শুধু ভোক্তাদের সচেতন হলেই চলবে না, চোরে চুরি করার আগে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
মো. জিল্লুর রহমান
গেণ্ডারিয়া, ঢাকা
ই-কমার্সের এই প্রতারণার ফাঁদ থেকে রক্ষা পাবার জন্য সচেতনতা সবার আগে প্রয়োজন। অবিশ্বাস্য ছাড়ের মহাফোয়ারা দেখে আহ্লাদিত না হয়ে, জেনে বুঝে এবং দরকার হলে বাজার যাচাই করে পণ্য অর্ডার দিতে হবে এবং পণ্যের মানের দিকে খেয়াল করে পণ্য ক্রয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যে পণ্য আসতে ছয় মাস কিংবা প্রায় এক বছর লাগতে পারে এরকম সময়সীমা যেখানে বেঁধে দেওয়া হয় সেখান থেকে পণ্য ক্রয় না করাই শ্রেয়।
ফারজানা বিনতে মুরাদ ঈরা
ঝিকরগাছা, যশোর
ভোক্তা বা গ্রাহকের সচেতনতা অবশ্যই জরুরি; কিন্তু ই-কমার্স ব্যবসার প্রতারণা রোধ করতে যথেষ্ট নয়। ই-কমার্স খাতের প্রতারণা এই সম্ভাবনাময় খাতটির ভবিষ্যতের জন্য কালস্বরূপ। এই প্রতারণার জন্য অনেক সত্ ব্যবসায়ী গ্রাহক হারাচ্ছে, কেননা এখানে সৃষ্টি হচ্ছে আস্থার অভাব যা কি না এই খাতসংশ্লিষ্ট সবার ভবিষ্যেকই হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। প্রবাদ আছে যে, ‘সময়ের এক ফোঁড়, অসময়ের দশ ফোঁড়’। প্রতারণার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ এবং সচেতনতা যদি আগে সৃষ্টি করা যেত তাহলে হাজার হাজার মানুষকে আজকের অসহায় পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া লাগত না।
আসিফ জুনাইদ
বুয়েট, ঢাকা
ই-কমার্সের প্রতারণা বহুলাংশে কমাতে গ্রাহকদের সচেতনতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলেও সরকার ও সংশ্লিষ্ট অন্যসব বিভাগকে যুগোপযোগী আইন তৈরি করে ই-কমার্সকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। তাছাড়া ভুঁইফোঁড় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণে আইনি জটিলতা দূর করতে হবে।
এ এফ এম সালাহউদ্দিন
বান্দরবান সদর, বান্দরবান
ই-কমার্স চরম বিশৃঙ্খলা ও প্রতারণার মোক্ষম উত্স হওয়ার মূল কারণ গ্রাহকদের অসচেতনতা এবং সরকারের নজরদারি ও আইনের অনুপস্থিতি। তাই ক্রেতাদের সাবধানতা এক্ষেত্রে অগ্রগণ্য। অন্যদিকে, সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
মোহাম্মদ ফয়সাল
পূর্ব মাদারবাড়ী, চট্টগ্রাম
ই-কমার্সের প্রতারণা থেকে বাঁচার জন্য সতর্ক ও সচেতনতাই যথেষ্ট নয়, সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন কর্তৃপক্ষের মনিটরিং। প্রতারণাকারীদের প্রায় সবাই যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে তাদের বড় নেতা বা উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বড় বড় ছবি তুলে অফিস কক্ষে ঝুলিয়ে রাখেন, সবাই যাতে মনে করেন প্রতারণাকারী অনেক ক্ষমতাবান। আশা করি, অতি লোভ বা লাভের জন্য উল্লিখিত প্রতারক চক্র বা নতুন করে আবারও কোনো প্রতারণা শুরু হবে সেদিকে নজর রেখে সবাই সচেতন থাকব।
মো. ফিরোজ আহম্মেদ
মিরপুর, সেকশন-৬, ঢাকা
দুর্নীতিবাজ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোতে দুই-এক জন হয়তো প্রথম দিকে সুবিধা পায়। আর এই সুবিধাভোগীদের ব্যবহার করেই ই-কমার্স টাকা উপার্জনের ফাঁদ পাতে। ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতারণা করার সুযোগ পেয়েছে দুইটি কারণে—১) আইনের সঠিক ব্যবহার না হওয়া ও মনিটরিং না থাকা; ২) জনগণের সচেতনতার অভাব। বেশি পাওয়ার আশায় বিজ্ঞাপন দেখে হুমড়ি খেয়ে পড়ি আমরা। এটা উচিত নয়।
কামরুজ্জামান
শ্রীপুর, গাজীপুর
