বিজ্ঞান কণিকা পালসার

আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০২১, ১৯:৪৭

 

সুপারনোভার পিস্ট অন্তস্তলের কী হয় যখন তার বাইরের অংশ বিস্ফোরণের পর মহাশূন্যে ছিটকিয়ে পড়ে? ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত এ প্রশ্নের উত্তর জানা ছিল না। ঐ বছরই পালসার আবিষ্কৃত হওয়ার পর এ প্রশ্নের উত্তর মিলেছে।

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী জোসলিন বেল দায়িত্ব পেয়েছিলেন দূরবর্তী ছায়াপথ থেকে আসা রেডিও তরঙ্গের শক্তি মাপার। তিনি আশ্চর্য হয়ে দেখেন যে আকাশের কোনো কোনো জায়গা থেকে নিয়মিতভাবে রেডিও তরঙ্গের ক্ষুদ্র, দ্রুত গুচ্ছ পাওয়া যায়। প্রায় এক সেকেন্ড পরপর ঐ তরঙ্গগুচ্ছ আসে এবং এই পর্যায়কালের কোনো পরিবর্তন হয় না। কোনো তারা বা ছায়াপথ থেকে এ রকম আশ্চর্য সংকেত আর কখনো পাওয়া যায়নি। প্রথমে যদিও মনে করা হয়েছিল যে মহাকাশের কোনো বুদ্ধিমান প্রাণী আমাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে, তবু খুব শীঘ্রই এই ধারণা বাতিল করে দিতে হয়। রেডিও তরঙ্গের এই উেসর নাম দেয়া হয়েছে পলিসার।

হিসাব করে দেখা গিয়েছে যে পলিসারগুলির ব্যাসার্ধ দশ মাইলের বেশি হতে পারে না কেননা তাহলে তরঙ্গগুচ্ছ এত শক্তিশালী হতে পারত না। এত দিন পর্যন্ত মনে করা হতো যে শ্বেত-বামন হলো সবচেয়ে ছোট এবং ঘন তারা। শ্বেত-বামনের হাজারগুণ ছোট তারা কী করে তৈরি হতে পারে? এ ধরনের তারায় বস্তুর ঘনত্ব হবে শ্বেত-বামনের চেয়ে এক শ কোটিগুণ বেশি।

সূত্র :আকাশ ভরা সূর্য তারা/এ. এম. হারুন অর রশীদ