১৯৯৯ সালে বিভিন্ন সংস্থা, করপোরেশন, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কতিপয় শর্তে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থায়নে পেনশন সুবিধা দেওয়ার জন্যে অর্থ মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে। তার পরে পানি উন্নয়ন বোর্ডেসহ আরো পনেরো-বিশটি প্রতিষ্ঠানে পেনশন সুবিধা চালু হয়। বিএডিসিও পেনশন দেওয়ার সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। জানা যায়, অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে যখনই পেনশন সুবিধা অনুমোদন দেওয়া হবে, তখন থেকেই তা বাস্তবায়ন হবে। অথচ আমরা চাকরি করার সময় থেকেই আমাদের পেনশন দেওয়ার জন্য বিএডিসি, কৃষি মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে পত্র চালাচালি শুরু হয়। যদিও বিএডিসি অর্থ মন্ত্রণালয়ের সব শর্ত পূরণ করে। যেমন: সিএ ফার্ম এবং একচুয়ালি ফার্ম দ্বারা অডিট করানো, ট্রাস্টি বোর্ড গঠন, সিপিএফকে জিপিএফ-এ স্থানান্তর, সংরক্ষিত টাকার ব্যাংক স্টেটমেন্ট, আগামী ১০ বছরে কত জন অবসরে যাবেন এবং বিগত ৫ বছরে কত জন অবসরে গিয়েছেন তার হিসাবসহ কাগজপত্র কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে অর্থ মন্ত্রণালয়কে দেওয়া হয়েছে। অর্থের জোগানও আমাদের আমল থেকেই শুরু হয়। বর্তমানে পেনশনের জন্য আনুতোষিক ও সিপিএফ খাতে প্রায় ৯০০ কোটি টাকা বিএডিসির ব্যাংক হিসাবে সংরক্ষিত আছে। যার প্রাপ্ত মুনাফা দিয়ে অবসরপ্রাপ্তদের পেনশন দেওয়া সম্ভব হবে। বিএডিসির হিসাব মোতাবেক মূলধনে হাত দিতে হবে না। ২০০০ সাল থেকে পেনশন সুবিধা দেওয়া হলে আমরা যারা অবসরে গেছি, তারাও পেনশনের আওতাভুক্ত হবো। প্রত্যাশা করি, বিএডিসির অবসরপ্রাপ্তদের নিয়ে সবার পেনশন সুবিধা নিশ্চিত হবে। পরিশেষে, সামাজিক সুরক্ষা বিবেচনায় ২০০০ সাল থেকেই অবসরগ্রহণকারীদের পেনশন কার্যকরের ব্যবস্থা করতে আকুল আবেদন জানাচ্ছি।
মো. এনায়েত উল্লা ঢালী
উত্তর শাহজাহানপুর, ঢাকা
