দ্বিতীয় পরমাণু বিদ্যুত্ কেন্দ্র স্থাপনে রাশিয়ার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০২১, ২২:৩৮

দেশের দক্ষিণাঞ্চলে আরো একটি পারমাণবিক বিদ্যুেকন্দ্র স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা দেশের দক্ষিণাঞ্চলে আরেকটি পারমাণবিক বিদ্যুেকন্দ্র স্থাপন করতে চাই এবং এক্ষেত্রে রাশিয়ার অব্যাহত সহযোগিতার প্রয়োজন। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ গতকাল সোমবার গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাত্ করতে এলে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।

পাবনার রূপপুরে রাশিয়ার কারিগরি এবং আর্থিক সহযোগিতায় প্রথম বারের মতো বাংলাদেশ পারমাণবিক বিদ্যুেকন্দ্রটি নির্মাণ করেছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন রোসাটম বিদ্যুেকন্দ্রটি স্থাপনে সহযোগিতা করছে। আলেক্সি লিখাচেভ বলেন, বাংলাদেশ এবং রাশিয়ার পারস্পরিক সহযোগিতা পারমাণবিক ক্ষেত্রে প্রবেশ করেছে এবং ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তিধর দেশে পরিণত হবে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুেকন্দ্র (আরএনপিপি) পরিচালনার জন্য তারা বাংলাদেশিদের প্রশিক্ষণ দেবে এবং বাংলাদেশের বিদ্যুত্ খাতে তাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। রোসাটমের মহাপরিচালক স্থানীয় কর্মীদের প্রশংসা করে বলেন, ইঞ্জিনিয়ার, টেকনিশিয়ান এবং অন্যান্য জনবলসহ ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ আরএনপিপিতে কাজ করে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। নিরাপত্তার বিষয়ে সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী রোসাটমের মহাপরিচালককে স্থানীয় জনগণকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার আহ্বান জানান, যাতে তারা রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুেকন্দ্রটি চালাতে পারে। আলেক্সি লিখাচেভ আরো বলেন, আরএনপিপির নিরাপত্তার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে এবং তারা প্ল্যান্টের কাছাকাছি এলাকায় সামাজিক উন্নয়নেও কাজ করছে। রোসাটমের মহাপরিচালক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, আরএনপিপিতে কর্মরত ৯০ শতাংশের বেশি রাশিয়ান নাগরিককে তারা টিকা দিয়েছেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব জিয়াউল হাসান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।