আগামী বছরের জন্য অর্থাত্ ২০২২ সালের কমনওয়েলথ অর্থ মন্ত্রীদের বৈঠকের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলা-দেশের অর্থমন্ত্রী আ হ ম মু্স্তফা কামাল। বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বার্ষিক সভা-২০২১ এর সাইডলাইনে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কমনওয়েলথ অর্থমন্ত্রীদের ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কমনওয়েলথভুক্ত ৫৪টি দেশের অর্থমন্ত্রীরা এবং উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এতে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মু্স্তফা কামাল বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। এবারের কমনওয়েলথ ফাইন্যান্স মিনিস্টারস মিটিংয়ে (সিএফএমএম), মালয়েশিয়ার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব এবং ব্রুনেইয়ের সমর্থনে ২০২২ সালের জন্য কমনওয়েলথ অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকের সভাপতি হিসেবে আ হ ম মুস্তফা কামাল নির্বাচিত হন। অর্থমন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সভায় অর্থমন্ত্রী বলেন, কমনওয়েলথের একটি গৌরবময় অতীত আছে, ১৭৬৯ সালে যুক্তরাজ্য থেকে বাষ্পইঞ্জিন আবিষ্কারের মাধ্যমে প্রথম শিল্প বিপ্লবের যাত্রা শুরু হয। যা সত্যিই বিশ্ব অর্থনৈতিক উন্নয়নের শিখা জ্বালিয়েছিল। ১৭৭১ সালে সত্যিকারের কারখানা বলতে যা বোঝায় সেটি প্রথম যুক্তরাজ্যের ডার্বিশায়ারের ক্রমফোর্ড নামক গ্রামে নির্মিত হয়েছিল। সর্বজনবিদিত একটি সত্য হচ্ছে, সপ্তদশ শতাব্দীতে কমনওয়েলথভুক্ত ভারত উপমহাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ ছিল। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আন্ত-কমনওয়েলথ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্ঞান, প্রযুক্তি ও উত্তমচর্চা শেয়ারের মাধ্যমে কমনওয়েলথভুক্ত দেশসমূহ অধিকতর আর্থসামাজিক সমৃদ্ধি লাভ করতে পারে।
এবারের সভা অ্যান্টিগুয়া এবং বার্বুডার প্রধানমন্ত্রী গ্যাস্টন ব্রাউনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। কমনওয়েলথ সচিবালয় মহাসচিব প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ডসহ সভায়যুক্ত প্রতিনিধিবৃন্দ টেকসই এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে ঋণ, বৈশ্বিক ন্যূনতম ট্যাক্স চুক্তি এবং কমনওয়েলথভুক্ত দেশসমূহে এর প্রভাব, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত হুমকি মোকাবিলায় ঋণ এবং কমনওয়েলথ ক্লাইমেট ফাইন্যান্স অ্যাক্সেস হাবসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আলোকপাত করা হয়।
