বিধান চন্দ্র ঘোষ, দাকোপ (খুলনা) সংবাদদাতা
দাকোপে সড়কের ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি ওজনের (লোড) যানবাহন চলাচল করছে। ফলে গ্রামীণ সড়ক হুমকির মুখে পড়ছে। অতি ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ না করলে সড়ক মেরামতের নির্ধারিত মেয়াদের অনেক আগেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়বে বলে এলাকার লোকজন আশঙ্কা করছেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, খুলনা জেলা শহরের সঙ্গে উপজেলা সদরের একমাত্র যোগাযোগমাধ্যম চালনা-খুলনা সড়ক। কিন্তু চালনা বৌমার গাছতলা থেকে পানখালী ফেরিঘাট পর্যন্ত গ্রামীণ সড়ক। ২০২০-২১ অর্থবছরে পল্লি সড়ক ব্রিজ ও কালভার্ট মেরামত প্রকল্পের আওতায় চালনা কেসি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মোড় থেকে পানখালী ফেরিঘাট অভিমুখে আড়াই কিলোমিটার সড়ক ১ কোটি ১৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ব্যয়ে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। পানখালী এলাকার সমাজসেবক জিকো রায় বলেন, প্রতিনিয়ত অধিক ওজনের যানবাহন চলাচল করলে দ্রুত সড়কগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়বে। ভ্যানচালক জাকির মোল্যা, শিতল চন্দ্র ঘোষ, ইজিবাইকচালক শ্যামল রায়, আয়ুব আলী মোল্যা, মোটরসাইকেলচালক ফাল্গুনী হালদার, আনিচুর রহমান শেখসহ আরো অনেকে বলেন, ভারী ট্রাক চলাচল করলে অচিরেই সড়কটি আবার হুমকির মুখে পড়বে।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) ননী গোপাল দাশ বলেন, সাধারণত উপজেলা পর্যায়ে ১০ থেকে ১২ টন ভার বহন ক্ষমতা ধরে গ্রামীণ সড়কের নকশা করা হয়। কিন্তু বর্তমান জেলা সদরের সঙ্গে উপজেলা সদরের একমাত্র যোগাযোগ ব্যবস্থা এই সড়কটি। যে কারণে এই সড়ক দিয়ে সাধারণ বাস, ট্রাকসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল করছে। কিন্তু ২৫ থেকে ২৬ টন ওজনের ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে সড়কটি হুমকির মুখে পড়তে পারে। তাছাড়া সাইন বোর্ডের বিধিনিষেধও মানছেন না চালকরা। অবিলম্বে সড়কটি দিয়ে অতি ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ করার কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
