স্পোর্টস ডেস্ক
ওমানে গতকাল ছিল নারী দিবস। ওমান ছাড়া পুরো বিশ্বের কয়জন মানুষই বা তা জানত। তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কল্যাণে এখন ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে সেই দিনটি আর অজানা রইল না। কুড়ি ওভারের সংস্করণে কোনো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রথা না থাকলেও বাংলাদেশ সেটি ভাঙে ২০১৪ সালে। গতকাল ওমান আবারও তা ফিরিয়ে আনে।
নারী দিবস উপলক্ষ্যে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সব আয়োজন করা হয় নারীদের দিয়ে। কুচকাওয়াজ, সংগীত, অশ্বারোহন সবকিছুতেই ছিল মুগ্ধতার ছায়া। এমন একটি উপলক্ষ্যে ওমান ক্রিকেট দলই বা কীভাবে হতাশ করে। উদ্বোধনী ম্যাচে পাপুয়া নিউগিনিকে পাত্তাই দেয়নি স্বাগতিকরা। ১৩০ রানের লক্ষ্য পাড়ি দেয় ১০ উইকেট ও ৩৮ বল হাতে রেখেই। জাতিন্দর সিং ৪২ বলে ৭ চার ও ৪ ছয়ে ৭৩ রান ও আকিব ইলিয়াস ৪৩ বলে ৫ চার ও ১ ছয়ে ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন।
তবে ম্যাচে জয়ের নায়ক ওমানের অধিনায়ক জিশান মাকসুদ। বাঁ হাতে বল ঘুরিয়ে ২০ রানে ৪ উইকেট নেন এই স্পিনার। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসেবে যৌথভাবে সেরা বোলিং ফিগার এটি। ২০০৭ সালের আসরে ভারতের বিপক্ষে একই ফিগার ছিল সাবেক নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক ড্যানিয়েল ভেট্টোরি। টস হেরে বোলিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে পাপুয়া নিউগিনি। শূন্য রানে হারিয়ে ফেলে দুই ওপেনার টনি উরা ও লেগা সিয়াকাকে। এরপর দলের হাল ধরেন অধিনায়ক আসাদ ভালা ও চার্লস আমিনি। তাতে লড়াই করার মতো সংগ্রহের স্বপ্ন দেখছিল নিউগিনি। কিন্তু আমিনি ২৬ বলে ৪ চার ও ১ ছয়ে ৩৭ রানে রানআউট হয়ে ফিরলে ভেঙে যাওয়া আশা বাঁচিয়ে রেখেও কলিমুল্লাহর বলে ফিরে যান ভালা। তবে বিশ্বকাপের প্রথম ফিফটি উপহার দিয়ে আউট হন ৪৩ বলে ৪ চার ও ৩ ছয়ে ৫৬ রান করে।
এরপর মাকসুদের স্পিন ভেলকিতে নুয়ে পড়ে নিউগিনি। খোঁড়াতে খোঁড়াতে ৯ উইকেটে ১২৯ রানে থামে তারা।
টি-২০ বিশ্বকাপে ১০
উইকেটে জয়
দল প্রতিপক্ষ আসর
অস্ট্রেলিয়া শ্রীলঙ্কা ২০০৭
দক্ষিণ আফ্রিকা জিম্বাবুয়ে ২০১২
ওমান পাপুয়া নিউগিনি ২০২১
